fbpx

কেন্দ্রীয় সরকারের কয়েক হাজার ক্লার্ক, জুনিঃ অ্যাসিস্ট্যান্ট, পোস্টাল/সর্টিং অ্যাসিঃ, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর

পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের সমস্ত রাজ্যে ও দিল্লিতে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসগুলিতে লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক/ জুনিয়র সেক্রেটারিয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট, পোস্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট/ সর্টিং অ্যাসস্ট্যিান্ট, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (ডিইও) ও ডেটা এন্ট্রি অপারেটর গ্রেড এ-র কয়েকহাজার সম্ভাব্য শূন্যপদে নিয়োগের জন্য দরখাস্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রার্থী বাছাই করবে স্টাফ সিলেকশন কমিশন, কম্বাইন্ড হায়ার সেকেন্ডারি লেভেল (১০+২) পরীক্ষা, ২০১৮-র মাধ্যমে (F.NO 3/2/2019-P&P-I)।

বেতনক্রম: মূল বেতন লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক/ জুনিয়র সেক্রেটারিয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের ক্ষেত্রে পে ব্যান্ড ওয়ান অনুযায়ী ৫২০০-২০২০০ টাকা, গ্রেড পে ১৯০০ টাকা, অন্যান্য পদগুলির ক্ষেত্রে পে ব্যান্ড ওয়ান অনুযায়ী ৫২০০-২০২০০ টাকা, গ্রেড পে ২৪০০ টাকা। অন্যান্য ভাতাও আছে।

বয়সসীমা: ১ আগস্ট ২০১৯ তারিখের হিসেবে বয়স হতে হবে ১৮-২৭ বছরের মধ্যে (জন্মতারিখ ২ আগস্ট ১৯৯২ থেকে ১ আগস্ট ২০০১)। সংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীরা (বিধবা/বিবাহবিচ্ছিন্না/আইনত পতিসঙ্গ বিচ্ছিন্না সহ) নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন।

যোগ্যতা: লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক/ জুনিয়র সেক্রেটারিয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট, পোস্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট/ সর্টিং অ্যাসস্ট্যিান্ট, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (ডিইও-সিঅ্যান্ডএজি বাদে) ও ডেটা এন্ট্রি অপারেটর গ্রেড এ পদের ক্ষেত্রে যে-কোনো শাখায় দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ বা সমতুল। শুধুমাত্র ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (ডিইও)— অফিস অব কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব ইন্ডিয়া (সিঅ্যান্ডএজি)-র ক্ষেত্রে গণিত সহ বিজ্ঞান শাখায় দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হবে। শিক্ষগত যোগ্যতা সম্পূর্ণ হতে হবে ১ আগস্ট ২০১৯ তারিখের মধ্যে।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি: লিখিত পরীক্ষা ও টাইপিং টেস্ট/ স্কিল টেস্টের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। লিখিত পরীক্ষা হবে দুটি পর্যায়ে। টিয়ার ওয়ান ও টিয়ার টু। লিখিত পরীক্ষায় সফল হলে টিয়ার থ্রি। টিয়ার ওয়ানে থাকবে জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (২৫টি প্রশ্ন, ৫০ নম্বর), ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ (২৫টি প্রশ্ন, ৫০ নম্বর), কোয়ান্টিটেটিভ অ্যাপ্টিটিউড (২৫টি প্রশ্ন, ৫০ নম্বর) ও জেনারেল অ্যাওয়্যারনেস (২৫টি প্রশ্ন, ৫০ নম্বর)। পরীক্ষার সময় ৬০ মিনিট। অবজেক্টিভ টাইপের প্রশ্ন হবে। ইংরেজি বাদে অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্ন হবে ইংরেজি ও হিন্দিতে। নেগেটিভ মার্কিং আছে। এক-একটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর করে কাটা হবে। টিয়ার টু ১০০ নম্বরের, ডেসক্রিপটিভ। টিয়ার থ্রি-তে স্কিল টেস্ট/ টাইপিং টেস্ট থাকবে, তাতে সফল হতেই হবে, যদিও তার কোনো নম্বর মেধাতালিকার জন্য বরাদ্দ হবে না। পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে নিচের ওয়েবসাইট থেকে।

স্কিল টেস্ট (ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদের জন্য): এক ঘণ্টায় কম্পিউটারে ৮০০০ কি ডিপ্রেশন স্পিড তুলতে হবে। এই পরীক্ষার জন্য ইংরেজিতে একটি রানিং স্ক্রিপ্ট ম্যাটার দেওয়া হবে। এই ছাপানো ম্যাটারে ২০০০-২২০০ স্ট্রোকের কম্পোজ থাকবে। প্রার্থীদের সেই মতোই টাইপ করতে হবে। সময় দেওয়া হবে ১৫ মিনিট। কতটা নির্ভুল হল সেটাও দেখা হবে।

টাইপিং টেস্ট (লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক/ জুনিয়র সেক্রেটারিয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট, পোস্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট/ সর্টিং অ্যাসস্ট্যিান্ট): কম্পিউটারে টাইপিং টেস্ট নেওয়া হবে। ইংরেজি টাইপিং-এ মিনিটে ৩৫ বা হিন্দি টাইপিং-এ ৩০ স্পিড (অর্থাৎ ইংরেজিতে ঘণ্টায় ১০৫০০ এবং হিন্দিতে ৯০০০ কি ডিপ্রেশন) থাকা চাই। ১০ মিনিটের পরীক্ষা। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা ৩০ মিনিট সময় পাবেন।

পরীক্ষাকেন্দ্র: পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পরীক্ষাকেন্দ্র এবং ব্র্যাকেটে কোড নম্বর (পূর্বাঞ্চলের আঞ্চলিক দপ্তরের ঠিকানা Regional Director (ER), Staff Selection Commission, 1st MSO Building, (8th Floor), 234/4, Acharya Jagadish Chandra Bose Road, Kolkata, West Bengal-700020, ওয়েবসাইট www.sscer.org): কলকাতা (৪৪১০), শিলিগুড়ি (৪৪১৫), আসানসোল (৪৪১৭), হুগলি (৪৪১৮), পোর্ট ব্লেয়ার (৪৮০২), বোকারো (৪২০১), ধানবাদ (৪২০৬), জামশেদপুর (৪২০৭), রাঁচি (৪২০৫), বালাসোর (৪৬০১), বহরমপুর-গঞ্জাম (৪৬০২), ভুবনেশ্বর (৪৬০৪), কটক (৪৬০৫), রৌরকেল্লা (৪৬১০), সম্বলপুর (৪৬০৯), গ্যাংটক (৪০০১)।

গুয়াহাটি দিশপুর (৫১০৫), ডিব্রুগড় (৫১০২), জোরহাট (৫১০৭), শিলচর (৫১১১), ইটানগর (৫০০১), ইম্ফল (৫৫০১), শিলং (৫৪০১), আইজল (৫৭০১), কোহিমা (৫৩০২), চুড়াচাঁদপুর (৫৫০২), আগরতলা (৫৬০১), তেজপুর (৫১১২)।

আবেদনের ফি: ১০০ টাকা। এসবিআই চালান/ নেট ব্যাঙ্কিং, যে-কোনো ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আবেদনের ফি দেওয়া যাবে। মহিলা, তপশিলি, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও প্রাক্তন সেনাকর্মীদের ফি দিতে হবে না।

আবেদনের পদ্ধতি: http://ssc.nic.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হবে। বৈধ ইমেল আইডি ও মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। প্রথমে এককালীন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে প্রাথমিক তথ্যাদি, ফটো ইত্যাদি দিয়ে, এই পদ্ধতি নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি (http://jibikadishari.co.in/?p=6634)। আগে রেজিস্ট্রেশন করা থাকলে আবার তা করা দরকার নেই, আগের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়েই কমসময়ের মধ্যে সরাসরি আবেদন করা যাবে। অনলাইন আবেদন করা যাবে ৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

শিক্ষাগত যোগ্যতার উল্লেখ দরখাস্তে করতে হবে এইসব কোড নম্বরে: ইন্টারমিডিয়েট/ উচ্চ মাধ্যমিক বা সমতুল পাশ হলে কোড নম্বর (০২), ডিপ্লোমা (০৩), বিএ (০৪), বিএ অনার্স (০৫), বিকম (০৬), বিকম অনার্স (০৭), বিএসসি (০৮), বিএসসি অনার্স (০৯), বিএড (১০), এলএলবি (১১), বিই (১২), বিটেক (১৩), এএমআইই পার্ট এ অ্যান্ড পার্ট বি (১৪), বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার (১৫), বিসিএ (১৬), বিবিএ (১৭), গ্র্যাজুয়েশন ইস্যুড বাই ডিফেন্স ইন্ডিয়ান আর্মি, এয়ার ফোর্স ও নেভি (১৮), বিলিব (১৯), বি ফার্ম (২০), আইসিডব্লুএ (২১), সিএ (২২), পিজি ডিপ্লোমা (২৩), এমএ (২৪), এমকম (২৫), এমএসসি (২৬), এমএড (২৭), এলএলএম (২৮), এমই (২৯), এমটেক (৩০), এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (৩১), এমসিএ (৩২), এমবিএ (৩৩), অন্যান্য (৩৪)।

তপশিলি প্রভৃতি প্রার্থীদের সংরক্ষণের সুবিধার জন্য কোড নম্বর: তপশিলি (০১), ওবিসি (০২), শারীরিক প্রতিবন্ধী (০৩), শারীরিক প্রতিবন্ধী+ওবিসি (০৪), শারীরিক প্রতিবন্ধী+তপশিলি (০৫), প্রাক্তন সেনাকর্মী (০৬), বিধবা/ ডিভোর্সি/ আইনত পতিসঙ্গবিচ্ছিন্না মহিলারা আবার বিয়ে না করে থাকলে (১২), বিধবা/ ডিভোর্সি/ আইনত পতিসঙ্গবিচ্ছিন্না মহিলারা আবার বিয়ে না করে থাকলে+ তপশিলি (১৩)।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ: অনলাইন আবেদন করা যাবে ৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত। অনলাইন আবেদনের ফি দেওয়া যাবে ৭ এপ্রিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত। অফলাইন চালান জেনারেট করা যাবে ৭ এপ্রিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত। চালানের মাধ্যমে আবেদনের ফি দেওয়া যাবে ৯ এপ্রিল ২০১৯, ব্যাঙ্কের সময়সীমার মধ্যে। টিয়ার ওয়ান কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা হবে ১ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই ২০১৯ তারিখে। টিয়ার টু পরীক্ষা হবে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *