fbpx

কেন্দ্রে কয়েক হাজার মাধ্যমিক মাল্টি টাস্কিং স্টাফ নিয়োগের আবেদন শুরু

সারা দেশে ও দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক, বিভাগ ও অফিসগুলিতে কয়েকহাজার গ্রুপ-‘সি’ মাল্টি টাস্কিং স্টাফ (নন-টেকনিক্যাল) নিয়োগ করা হবে, স্টাফ সিলেকশন কমিশনের মাল্টি টাস্কিং স্টাফ এগজামিনেশন ২০১৯-র মাধ্যমে। বিজ্ঞপ্তি নং F.No-3-3/2019-P&P-I (Vol-1). গত ১৯ এপ্রিল আমাদের পোর্টালে এই খবর সংক্ষিপ্তভাবে জানানো হয়েছিল, সেইমতো অনলাইন আবেদনও শুরু হয়েছে আজ ২২ তারিখ থেকে। আবেদনের জন্য আজ বিস্তারিত তথ্য।

বেতনক্রম: পে ব্যান্ড ওয়ান অনুযায়ী মূল বেতন ৫২০০-২০২০০ টাকা, গ্রেড পে ১৮০০ টাকা। সঙ্গে অন্যান্য ভাতা।

শূন্যপদ: বেশ কয়েক হাজার শূন্যপদে নিয়োগ হবে, তবে এখনও শূন্যপদ সংগ্রহ চলছে, হিসাব চূড়ান্ত হয়নি। সময়মতো ওয়েবসাইট থেকে শূন্যপদ ও ক্যাটেগরি ভিত্তিক বণ্টন সম্পর্কে বিশদে জানা যাবে।

বয়সসীমা (১ জানুয়ারি ২০১৯-এর হিসাবে): বিভিন্ন নিয়োগকারী বিভাগ/ অফিস/ মন্ত্রক/ দপ্তরের নিয়মানুযায়ী কোনো-কোনো ক্ষেত্রে ১৮-২৫ বছর (জন্মতারিখ ২-৮-১৯৯৪ থেকে ১-৮-২০০১), কোনো-কোনো ক্ষেত্রে ১৮-২৭ বছর (জন্মতারিখ ২-৮-১৯৯২ থেকে ১-৮-২০০১)। তপশিলিরা (কোড ০১) ৫ বছর, ওবিসিরা (কোড ০২) ৩ বছর, শারীরিক প্রতিবন্ধীরা (কোড ০৩) ১০/তপশিলি হলে (কোড ০৫) ১৫, ওবিসি হলে (কোড ০৪) ১৩ বছর, আবেদনের শেষ তারিখ পর্যন্ত প্রাক্তন সমরকর্মীরা (কোড ০৬) যত বছর সামরিক চাকরি করেছেন সেই মেয়াদ বাদ দিয়ে আরও ৩ বছর, যুদ্ধে পঙ্গু হওয়া প্রতিরক্ষাকর্মীরা (কোড ০৮) ৩/ তপশিলি (কোড ০৯) হলে ৮ বছর, অন্তত ৩ বছর কাজ করা কেন্দ্রীয় অসামরিক কর্মচারীরা (কোড ১০) ৪০/তপশিলি হলে (কোড ১১) ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত, বিধবা/ বিবাহবিচ্ছিন্না/ আইনত পতিসঙ্গ বিচ্ছিন্না মহিলারা (কোড ১২) আবার বিয়ে না করে থাকলে ৩৫/তপশিলি হলে (কোড ১৩) ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত, সশস্ত্র বাহিনীর শেষ বছরের সার্ভিস ক্লার্করা (কোড ১৪) ৪৫/ তপশিলি হলে (কোড ১৫) ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত ও রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার জনগণনার কাজে নিযুক্ত ও কাজের শেষে ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা (কোড ১৬) তাঁরা ওই দপ্তরেই শূন্যপদ থাকলে যতদিন সেই কাজ করেছেন তার সঙ্গে আরও ৩ বছর ছাড় পাবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ম্যাট্রিকুলেশন বা সমতুল পাশ। শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পূর্ণ হতে হবে ১ আগস্ট ২০১৯ তারিখের মধ্যে। স্বীকৃত ওপেন বা ডিস্ট্যান্স এডুকেশন ব্যবস্থায় পাশ হলেও গ্রাহ্য হবে।

পরীক্ষার ধরন: পরীক্ষা হবে দুটি ধাপে: পেপার-ওয়ানে অবজেক্টিভ ও তাতে সফল হলে পেপার-টুতে ডেসক্রিপটিভ টাইপের। পেপার-ওয়ানের প্রতিটি বিভাগে যেমন সফল হতে হবে তেমনই পেপার-টুতেও সফল হতেই হবে, যদিও পেপার-টু-র নম্বর মেধাতালিকার জন্য যোগ হবে না।

প্রথমে পেপার-ওয়ানে কম্পিউটার ভিত্তিক অবজেক্টিভ টাউপের পরীক্ষায় থাকবে জেনারেল ইংলিশ (২৫টি প্রশ্ন, ২৫ নম্বর), জেনারেল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিজনিং (২৫টি প্রশ্ন, ২৫ নম্বর), নিউমেরিক্যাল অ্যাপ্টিটিউড (২৫টি প্রশ্ন, ২৫ নম্বর), জেনারেল অ্যাওয়্যারনেস (২৫টি প্রশ্ন, ২৫ নম্বর)। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা, সময় ৯০ মিনিট। নেগেটিভ মার্কিং থাকবে। এক-একটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর করে কাটা হবে। পেপার-ওয়ানের পরীক্ষা হবে ২ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর।

পেপার-টু অর্থাৎ ডেসক্রিপটিভ পরীক্ষায় থাকবে শর্ট এসে/ লেটার (ইংরেজি বা বাংলা, ওড়িয়া, হিন্দি ইত্যাদি সংবিধানের অষ্টম তফশিলের অন্তভুক্ত যে-কোনো ভাষা)। ৫০ নম্বরের পরীক্ষা, সময় ৩০ মিনিট। এই পেপারের পরীক্ষা হবে ১৭ নভেম্বর।

আবেদনের ফি: ১০০ টাকা। ভিম ইউপিআই, নেট ব্যাঙ্কিং, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড ও এসবিআই চালানের মাধ্যমে ফি দেওয়া যাবে। তপশিলি জাতি/ উপজাতি, শারীরিক প্রতিবন্ধী, প্রাক্তন সেনাকর্মী ও মহিলা প্রার্থীদের ফি দিতে হবে না।

আবেদনের পদ্ধতি: http://ssc.nic.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হবে। বৈধ ইমেল আইডি ও মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। অনলাইন আবেদন করার আগে ছবি ও স্বাক্ষর স্ক্যান করে রাখতে হবে। সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট মাপের রঙিন ছবি হতে হবে (৩.৫×৪.৫ সেন্টিমিটার), মাপ হতে হবে ২০-৫০ কেবির মধ্যে। স্বাক্ষর (৪.০×৩.০ সেন্টিমিটার), মাপ হতে হবে ১০-২০ কেবির মধ্যে। ছবি ও স্বাক্ষর জেপিজি ও জেপেগ ফরম্যাটে স্ক্যান করতে হবে। আবেদনের জন্য প্রথমে প্রাথমিক কিছু তথ্য দিয়ে এককালীন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে (এর পদ্ধতি বিষয়ে আমাদের আলোচনা দেখে নিতে পারেন (http://jibikadishari.co.in/?p=6634)। রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে সেই নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আবেদন করতে পারবেন। আগে যাঁরা এককালীন রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাঁদের নতুন করে তা করতে হবে না আগের নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ: অনলাইন আবেদন করা যাবে ২৯ মে ২০১৯ বিকাল ৫টা পর্যন্ত। অনলাইন আবেদনের ফি দেওয়া ও চালান ডাউনলোড করা যাবে ৩১ মে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। চালানের মাধ্যমে ফি দেওয়া যাবে ১ জুন ২০১৯ ব্যাঙ্কের সময়সীমার মধ্যে। কম্পিউটার বেসড পরীক্ষা (টিয়ার ১) হবে ২ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ব্যাচে ব্যাচে ভাগ করে। টিয়ার ২ পরীক্ষা হবে ১৭ নভেম্বর ২০১৯।

সেন্টার কোড সহ পরীক্ষাকেন্দ্র: ইস্টার্ন রিজিয়ন (পশ্চিমবঙ্গ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, সিকিম): কলকাতা (৪৪১০), শিলিগুড়ি (৪৪১৫), পোর্টব্লেয়ার (৪৮০২), বোকারো (৪২০১), ধানবাদ (৪২০৬), হাজারিবাগ (৪২০৪), জামশেদপুর (৪২০৭), রাঁচি (৪২০৫), বালাসোর (৪৬০১), বেরহমপুর-গঞ্জম (৪৬০২), ভুবনেশ্বর (৪৬০৪), কটক (৪৬০৫), রুরকি (৪৬০১), সম্বলপুর (৪৬০৯), গ্যাংটক (৪০০১), আসানসোল (৪৪১৭), হুগলি (৪৪১৮)। ঠিকানা: Regional Director (ER), Staff Selection Commission, 1st MSO Building, (8th Floor), 234/4, Acharya Jagadish Chandra Bose Road, Kolkata, West Bengal 700020 (www.sscer.org)

প্রসঙ্গত, সেন্ট্রাল রিজিয়ন, কর্নাটক কেরালা রিজিয়ন, মধ্যপ্রদেশ সাব রিজিয়ন, নর্থ ইস্টার্ন রিজিয়ন, নর্দার্ন রিজিয়ন, নর্থ-ওয়েস্টার্ন সাব-রিজিয়ন, সাদার্ন রিজিয়ন, ওয়েস্টার্ন রিজিয়নের সেন্টারকোড ও রিজিওনাল অফিসের ঠিকানা সম্পর্কে বিস্তারিত ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতার কোড: ম্যাট্রিকুলেশন (০১), ইন্টারমিডিয়েট/ হায়ার সেকেন্ডারি (০২), ডিপ্লোমা (০৪), বিএ (০৫), বিএ অনার্স (০৬), বিকম (০৭), বিকম অনার্স (০৮), বিএসসি (০৯), বিএসসি অনার্স (১০), বিএড (১১), এলএলবি (১২), বিই (১৩), বিটেক (১৪), এএমআইই পার্ট এ অ্যান্ড পার্ট বি (১৫), বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (১৬), বিসিএ (১৭), বিবিএ (১৮), গ্র্যাজুয়েশন আর্মড ফোর্সেস ইস্যু করা (১৯), বিলিব (২০), বি ফার্ম (২১) আইসিডব্লুএ (২২), সিএ (২৩), পিজি ডিপ্লোমা (২৪), এমএ (২৫), এমকম (২৬), এমএসসি (২৭), এমএড (২৮), এলএলএম (২৯), এমই (৩০), এমটেক (৩১), এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (৩২), এমসিএ (৩৩), এমবিএ (৩৪), অন্যান্য (৩৫)।

দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষার জন্য ভাষার কোড: হিন্দি (০১), ইংলিশ (০২), আসামিস (০৩), বাংলা (০৪), বোরো (০৫), ডোঙ্গরি (০৬), গুজরাটি (০৭), কন্নড় (০৮), কাশ্মীরি (০৯), কোঙ্কনি (১০), মৈথিলি (১১), মালায়ালম (১২), মণিপুরি (১৩), মারাঠী (১৪), নেপালি (১৫), ওড়িয়া (১৬), পাঞ্জাবি (১৭), সংস্কৃত (১৮), সিন্ধি (২০), তামিল (২১), তেলেগু (২২), উর্দু (২৩)।

স্টেট কোড: ওয়েস্টবেঙ্গল (এম), চণ্ডীগড় (এ), জম্মু ও কাশ্মীর (বি), হরিয়ানা (সি), হিমাচল প্রদেশ (ডি), পাঞ্জাব (ই), দিল্লি (এফ), রাজস্থান (জি), উত্তরাখণ্ড (এইচ), বিহার (আই), উত্তর প্রদেশ (জে), ঝাড়খণ্ড (কে), ওড়িশা (এল), আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (এন), সিকিম (ও), অরুণাচল প্রদেশ (পি), অসম (কিউ), মণিপুর (আর), মেঘালয় (এস), মিজোরাম (টি), নাগাল্যান্ড (ইউ), ত্রিপুরা (ভি), ছত্তিশগড় (ডব্লু), মধ্যপ্রদেশ (ওয়াই), দমন দিউ ও গোয়া (জেড), গুজরাট দাদরা ও নগর হাভেলি (১), মহারাষ্ট্র (২), অন্ধ্রপ্রদেশ (৩), তেলেঙ্গানা (৪), পুডুচেরি ও তামিলনাড়ু (৫), কর্নাটক (৬), কেরালা (৭), লাক্ষাদ্বীপ (৮)।

স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষার বা আবেদনের ক্ষেত্রে কী-কী কারণে কীরকম শাস্তিবিধান হয় সেবিষয়ে আমরা আলাদাভাবে আলোচনা করেছি (http://jibikadishari.co.in/?p=5446)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *