fbpx

৪৩৩৬ প্রবেশনারি অফিসার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে

দেশের ১৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ৪৩৩৬ জন প্রবেশনারি অফিসার/ ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি নিয়োগের জন্য আইবিপিএসের লিখিত পরীক্ষা ‘কমন রিটেন এগজামিনেশন’ হবে আগামী ১২, ১৩, ১৯ ও ২০ অক্টোবর। মোট শূন্যপদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কারণ এখনও সবকটি ব্যাঙ্কের শূন্যপদের হিসেব পাওয়া যায়নি। লিখিত পরীক্ষায় সফল হলে ইন্টারভিউ ও পদবণ্টনও হবে আইবিপিএস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলির যৌথ আয়োজনে, ফলে পরে আর কোথাও এই ব্যাঙ্কগুলির বিজ্ঞাপন বেরোবে না, নতুন করে আবেদনও করতে হবে না। এই কমন রিটেন এগজামিনেশন (CRP PO/MT-IX)-এর জন্য অনলাইন আবেদন নেওয়া হবে ৭ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট ২০১৯ পর্যন্ত। প্যানেলের বৈধতা থাকবে ৩১ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত। নিচের যোগ্যতার যে-কোনো ভারতীয়রা আবেদন করতে পারবেন।

কোনকোন ব্যাঙ্কে নিয়োগ: আইবিপিএসের লিখিত পরীক্ষা যে ১৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রাহ্য হবে সেগুলি হল: এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক, অন্ধ্র ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অব বরোদা, ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অব মহারাষ্ট্র, কানাড়া ব্যাঙ্ক, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া, কর্পোরেশন ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক, ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অব কমার্স, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব অ্যান্ড সিন্ধ ব্যাঙ্ক, সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক, ইউকো ব্যাঙ্ক, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া ও ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।

 শূন্যপদের বিন্যাস: ক্রমিক সংখ্যা ১: এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক: শূন্যপদ ৫০০ (অসংরক্ষিত ২০৩, তপশিলি জাতি ৭৫, তপশিলি উপজাতি ৩৭, ওবিসি ১৩৫, ইডব্লুএস ৫০)। এইসবের মধ্যে ৫টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ৫টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ৫টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ৫টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ২: অন্ধ্র ব্যাঙ্ক: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। ক্রমিক সংখ্যা ৩: ব্যাঙ্ক অব বরোদা: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। ক্রমিক সংখ্যা ৪: ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া: ৮৯৯ (অসংরক্ষিত ৫৮৩, তপশিলি জাতি ১৫৮, তপশিলি উপজাতি ৫৮, ওবিসি ১১, ইডব্লুএস ৮৯)। এইসবের মধ্যে ৬টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ১৭টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ৬টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ৬টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ৫: ব্যাঙ্ক অব মহারাষ্ট্র: ৩৫০ (অসংরক্ষিত ১৪৩, তপশিলি জাতি ৫২, তপশিলি উপজাতি ২৬, ওবিসি ৯৪, ইডব্লুএস ৩৫)। এইসবের মধ্যে ৩টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ৩টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ৩টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ৩টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ৬: কানাড়া ব্যাঙ্ক: ৫০০ (অসংরক্ষিত ২০৩, তপশিলি জাতি ৭৫, তপশিলি উপজাতি ৩৭, ওবিসি ১৩৫, ইডব্লুএস ৫০)। এইসবের মধ্যে ৫টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ৫টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ৫টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ৫টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ৭: সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। ক্রমিক সংখ্যা ৮: কর্পোরেশন ব্যাঙ্ক: ১৫০ (অসংরক্ষিত ৬২, তপশিলি জাতি ২২, তপশিলি উপজাতি ১১, ওবিসি ৪০, ইডব্লুএস ১৫)। এইসবের মধ্যে ২টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ২টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ১টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ১টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ৯: ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক: ৪৯৩ (অসংরক্ষিত ২০১, তপশিলি জাতি ৭৩, তপশিলি উপজাতি ৩৭, ওবিসি ১৩৩, ইডব্লুএস ৪৯)। এইসবের মধ্যে ৫টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ৫টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ৫টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ৫টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ১০: ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। ক্রমিক সংখ্যা ১১: ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অব কমার্স: ৩০০ (অসংরক্ষিত ১২২, তপশিলি জাতি ৪৮, তপশিলি উপজাতি ২২, ওবিসি ৭৯, ইডব্লুএস ২৯)। এইসবের মধ্যে ৩টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ৩টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ৩টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ৩টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ১২: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। ক্রমিক সংখ্যা ১৩: পাঞ্জাব অ্যান্ড সিন্ধ ব্যাঙ্ক: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। ক্রমিক সংখ্যা ১৪: সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। ক্রমিক সংখ্যা ১৫: ইউকো ব্যাঙ্ক: ৫০০ (অসংরক্ষিত ২৬১, তপশিলি জাতি ৫৩, তপশিলি উপজাতি ১৮, ওবিসি ১১৮, ইডব্লুএস ৫০)। এইসবের মধ্যে ৪৭টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ৪টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ৩টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ১৩টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ১৬: ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া: ৬৪৪ (অসংরক্ষিত ২৫৩, তপশিলি জাতি ১১৪, তপশিলি উপজাতি ৫৩, ওবিসি ১৫৯, ইডব্লুএস ৬৫)। এইসবের মধ্যে ১২টি শ্রবণ প্রতিবন্ধী, ১২টি অস্থি প্রতিবন্ধী, ১৫টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ৬টি আইডিদের জন্য সংরক্ষিত। ক্রমিক সংখ্যা ১৭: ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া: শূন্যপদের হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা: ভারত সরকার স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে-কোনো শাখায় ডিগ্রি বা কেন্দ্রীয় সরকার স্বীকৃত সমতুল যোগ্যতা। গ্র্যাজুয়েশনের বৈধ মার্কশিট/ সার্টিফিকেট পেয়ে থাকলে তবেই অনলাইন দরখাস্ত করা যাবে, কারণ দরখাস্তে শতকরা নম্বর লিখতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পূর্ণ হতে হবে ২৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখের মধ্যে। প্রতিটি বিষয়ের (অনার্স/ পাস/ ঐচ্ছিক/ অতিরিক্ত) প্রতি বছর/ সেমেস্টারের নম্বর হিসাব করতে হবে, কোনো ভগ্নাংশকে কাছাকাছি পূর্ণ সংখ্যা ধরা যাবে না।

বয়সসীমা: ১ আগস্ট ২০১৯ তারিখের হিসেবে বয়স হতে হবে ন্যূনতম ২০ বছর ও সর্বোচ্চ ৩০ বছর (জন্মতারিখ ২ আগস্ট ১৯৮৯ থেকে ১ আগস্ট ১৯৯৯-এর মধ্যে)। তপশিলি, ওবিসি (এনসিএল) শারীরিক প্রতিবন্ধী ও প্রাক্তন সেনাকর্মীরা নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন।

পরীক্ষা: অনলাইন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় থাকবে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ (৩০টি প্রশ্ন, ৩০ নম্বর) কোয়ান্টিটেটিভ অ্যাপ্টিটিউড (৩৫টি প্রশ্ন, ৩৫ নম্বর) রিজনিং এবিলিটি (৩৫টি প্রশ্ন, ৩৫ নম্বর)। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা, সময় ১ ঘণ্টা। মেইন পরীক্ষায় থাকবে রিজনিং অ্যান্ড কম্পিউটার অ্যাপ্টিটিউড (৪৫টি প্রশ্ন, ৬০ নম্বর, ৬০ মিনিট), জেনারেল/ ইকোনমি/ ব্যাঙ্কিং অ্যাওয়্যারনেস (৪০টি প্রশ্ন, ৪০ নম্বর, ৩৫ মিনিট) ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ (৩৫টি প্রশ্ন, ৪০ নম্বর, ৪০ মিনিট) ডেটা অ্যানালিসিস অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন (৩৫টি প্রশ্ন, ৬০ নম্বর, ৪৫ মিনিট)। মোট ২০০ নম্বর, সময় ৩ ঘণ্টা। এবং ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ (লেটার রাইটিং অ্যান্ড এসে) ২টি প্রশ্ন, ২৫ নম্বর, সময় ৩০ মিনিট। প্রিলিমিনারি ও মেইন পরীক্ষার ক্ষেত্রে ইংরেজি বাদে বাকি বিষয়ের প্রশ্ন হবে ইংরেজি ও হিন্দিতে। অবজেক্টিভ পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকবে। এক-একটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর করে কাটা হবে। তপশিলি প্রার্থী এবং সংখ্যালঘু প্রার্থীদের জন্য প্রি-এগজামিনেশন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রি-এগজামিনেশন ট্রেনিং সম্পর্কে আইবিপিএসের ওয়েবসাইট www.ibps.in থেকে জানা যাবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে বৈধ কললেটার, সচিত্র পরিচয়পত্র ও সচিত্র পরিচয়পত্রের ফোটোকপি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পরীক্ষাকন্দ্র: পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির পরীক্ষাকেন্দ্র এবং ব্র্যাকেটে রাজ্যের কোড নম্বর দেওয়া হল। পশ্চিমবঙ্গ (৪৬): বৃহত্তর কলকাতা, আসানসোল, দুর্গাপুর, হুগলি, শিলিগুড়ি।

ত্রিপুরা (৪৩): আগরতলা।

ওড়িশা (৩৬): বালাসোর, বেরহ্যামপুর (গঞ্জম), ভুবনেশ্বর, কটক, ঢেনকানাল, ঝাড়সুগুডা, রৌরকেল্লা, সম্বলপুর।

বিহার (১৫): আরা, ঔরঙ্গাবাদ, ভাগলপুর, দ্বারভাঙা, গয়া, মজফফরপুর, পাটনা, পূর্ণিয়া।

অসম (১৪): ডিব্রুগড়, গুয়াহাটি, জোরহাট, শিলচর, তেজপুর। অন্যান্য রাজ্যের তালিকা জানা যাবে ওয়েবসাইটে।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি: প্রিলিমিনারি লিখিত পরীক্ষায় প্রত্যেকটি বিষয়ে আলাদাভাবে এবং মোট নম্বরেও পাশ করলে তবেই মূল পর্বের পরীক্ষায় বসতে পারবেন। মূল পরীক্ষায় সফল হলে তবেই ১০০ নম্বরের ইন্টারভিউয়ে ডাক পাওয়ার যোগ্য বলে ধরা হবে। মেধাতালিকা তৈরির জন্য কেবল মূল পর্বের লিখিত পরীক্ষার নম্বর ও ইন্টারভিউয়ের নম্বরের যোগফল বিবেচিত হবে (যথাক্রমে ৮০ শতাংশ ও ২০ শতাংশে ভাগ করে)। উপরোক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির শূন্যপদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে এবং আইবিপিএস-এর সহায়তায় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নোডাল ব্যাঙ্কের উদ্যোগে সদস্য ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে কমন ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করা হবে। সফল প্রার্থীদের পছন্দ ও শূন্যপদ অনুযায়ী ব্যাঙ্কগুলিতে তাঁদের জন্য পদবণ্টন করা হবে।

আবেদনের ফি: আবেদনের ফি ৬০০ টাকা। তপশিলি জাতি/ উপজাতি/ শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা। ডেবিট কার্ড (রুপে/ ভিসা কার্ড/ মাস্টার কার্ড/ ম্যাস্ট্রো), ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, আইএমপিএস, ক্যাশ কার্ড/ মোবাইল ওয়ালেটের মাধ্যমে ফি দেওয়া যাবে। ট্র্যানজ্যাকশন সম্পূর্ণ হলে একটি ই-রিসিট পাওয়া যাবে, ই-রিসিটের প্রিন্ট-আউট নিয়ে রাখতে হবে।

আবেদন পদ্ধতি: www.ibps.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করা যাবে ৭ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত। বৈধ ইমেল আইডি ও মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। https://www.ibps.in/wp-content/uploads/CRP_PO_MT_IX.pdf লিঙ্কে গিয়ে বিজ্ঞপ্তিটিও দেখতে পাওয়া যাবে। অনলাইন আবেদন করার আগে ছবি ও স্বাক্ষর স্ক্যান করে রাখতে হবে। সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট মাপের রঙিন ছবি, মাপ হতে হবে ২০০×২৩০ পিক্সেল (বাঞ্ছনীয়ত), মাপ হতে হবে ২০-৫০ কেবির মধ্যে। সাদা কাগজে কালো কালির পেন দিয়ে স্বাক্ষর করতে হবে, ডাইমেনশন ১৪০×৬০ পিক্সেল (বাঞ্ছনীয়ত), মাপ হতে হবে ১০-২০ কেবির মধ্যে। অনলাইন আবেদন করার সময় ছবি ও স্বাক্ষর নির্দিষ্ট স্থানে সেগুলি আপলোড করতে হবে। অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য জানা যাবে উপরোক্ত ওয়েবসাইটে।

আবেদন করলে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড পাবেন তা কল লেটার ডাউনলোড করতে প্রয়োজন হবে। কল লেটারেই পরীক্ষাকেন্দ্র, ঠিকানা, সময় বলে দেওয়া হবে। এব্যাপারে যাবতীয় খুঁটিনাটি উপরোক্ত ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। ইন্টারভিউয়ের সময় যে সমস্ত নথি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে সেগুলি হল বৈধ কললেটারের প্রিন্ট-আউট, অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের প্রিন্ট-আউট, জন্মতারিখের প্রমাণপত্র, সচিত্র পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার মার্কশিট ও সার্টিফিকেট, কাস্ট সার্টিফিকেট ও অন্যান্য জরুরি নথিপত্রের অরিজিনাল ও স্ব-প্রত্যয়িত ফোটোকপি। তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি, ওবিসি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের থেকে পাওয়া সার্টিফিকেট নিয়ে জমা দিতে হবে। যে সমস্ত কর্তৃপক্ষের সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য হবে তাঁরা হলেন, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট/ অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট/ কালেক্টর/ ডেপুটি কমিশনার/ অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার/ ডেপুটি কালেক্টর/ ফার্স্ট ক্লাস স্টাইপেন্ডিয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট/ সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট/ অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার/ তালুকা ম্যাজিস্ট্রেট/ এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

চিফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট/ অ্যাডিশনাল চিফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট/ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট/ রেভিনিউ অফিসার (তহশিলদারের নিচের র‍্যাঙ্ক হলে হবে না)/ স্থানীয় সাব ডিভিশনাল অফিসার (তপশিলি জাতি/উপজাতি ও ওবিসি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে) জেলা স্তরের মেডিক্যাল বোর্ডের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের থেকে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট মেডিক্যাল বোর্ড হতে হবে চিফ মেডিক্যাল অফিসার, সাব ডিভিশনাল মেডিক্যাল অফিসার (শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে)।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ: অনলাইন আবেদন করা যাবে ৭ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত। আবেদনের ফি ৭ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট ২০১৯ পর্যন্ত। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য কললেটার ডাউনলোড করা যাবে সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে। অনলাইন প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে ১২, ১৩, ১৯ ও ২০ অক্টোবর। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে অক্টোবর/ নভেম্বর ২০১৯। অনলাইন মেইন পরীক্ষার জন্য কললেটার ডাউনলোড করা যাবে নভেম্বরে। অনলাইন মেইন পরীক্ষা হবে ৩০ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ। মেইন পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে ডিসেম্বরে। ইন্টারভিউয়ের জন্য কললেটার ডাউনলোড করা যাবে আগামী জানুয়ারি/ ফেব্রুয়ারিতে। কাজে যোগ দিতে হবে আগামী এপ্রিলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *