fbpx

মাধ্যমিকের পর কী কোর্স রয়েছে চাকরির জন্য 

শুধুমাত্র প্রথাগত পড়াশুনা করলেই, যে গাড়ি-ঘোড়া  চড়া যাবে, এরকম ধারনার পরিবর্তন অনেকদিন আগেই ঘটে গিয়েছে। মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হওয়ার পর রুটিন মাফিক বিজ্ঞান, কলা বা বাণিজ্য, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় পড়া ছাড়াও করে নেওয়া যেতে পারে এরকম একাধিক ভিন্ন ধরনের কোর্স। ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার্থে তুলে ধরা হলো এরকম কিছু কোর্সের খোঁজখবর  –

১) কমার্সিয়াল ডাইভিং কোর্স – মাধ্যমিকের পর ডাইভিং সংক্রান্ত একাধিক কোর্স রয়েছে শিখে রাখার জন্য। ছোটবেলা থেকেই অনেকের সাঁতার-এর  উপর প্রশিক্ষণ থাকে। পড়াশুনার পাশাপাশি শরীরচর্চা, স্পোর্টস হিসাবে সাঁতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এটিকেই পরবর্তীকালে পেশাতেও কাজে লাগানো যেতে পারে। আন্ডার ওয়াটার ডাইভিং ওয়ার্ক, লাইফ-সেভিং  অপারেশনের কাজ, ওয়াটার স্পোর্টস রিলেটেড ওয়ার্ক-এর  সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য করা যেতে পারে ডাইভিং উপর কোর্স। কলকাতায় কেন্দ্রীয় সরকার, যুব কল্যাণ এবং স্পোর্টস দপ্তর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে “সী এক্সপ্লোরারস ইনস্টিটিউট” প্রয়োজনে দেখে নিতে পারেন http://www.seiindia.org/  ওয়েবসাইটটিও।

২) এনার্জি এডুকেশন –  যতদিন যাচ্ছে ততো অচিরাচরিত শক্তির ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তা  বা গুরুত্ব কয়েকগুণ হারে বেড়ে চলেছে। গত কয়েক দশকে বিভিন্ন সংস্থা থেকে বা সরকারি উদ্যোগেও এই সমস্ত অচিরাচরিত শক্তি নিয়ে প্রচুর কাজ বা প্রোজেক্ট হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছে সোলার এনার্জি নিয়ে। সোলার এনার্জি সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগে একাধিক রাজ্যে সোলার এনার্জি সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট, ইমপ্লিমেন্টেশনের কাজ চলছে। ফটোভোলটিক মডিউল বা সৌর এনার্জির অন্যান্য সহযোগী যন্ত্রাংশ নিয়ে কাজ হয়ে থাকে। এই বিষয় নিয়ে মাধমিক এবং আইটিআই যোগ্যতায় সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা কোর্স করে নেওয়া যায়। কলকাতায় রয়েছে ইনস্টিটিউট অব সোলার টেকনোলজি। পশ্চিমবঙ্গে অচিরাচরিত শক্তি নিয়ে কাজ করছে  “West Bengal Renewable Energy Development Agency”। মাধ্যমিকের সাথে আইটিআই কোর্স করলে এই ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায় এবং অ্যাডভাসন্ড কোর্স করা যেতে পারে।

৩) ফ্রুট অ্যান্ড ভেজিটেবল প্রিসার্ভেশন সার্টিফিকেট কোর্স গ্রামীণ এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের  ছোটবেলা থেকেই চাষ-আবাদ , ফল-মূল, সবজি প্রস্তুতিকরণ, সংরক্ষণ এই সমস্ত বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান থাকে। মাধ্যমিক যোগ্যতাতেই এই বিষয় ট্রেনিং নিয়ে এগোতে পারলে ভালোভাবে স্ব-নির্ভর  হওয়ার সুযোগ থাকে। সরকারি উদ্যোগে কলকাতাতেই রয়েছে ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবিলস প্রিসার্ভেশন কাম কমিউনিটি কানিং সেন্টার। পারিবারি সূত্রে বা স্ব-উদ্যোগে চাষ-আবাদ বা সবজি, ফল নিয়ে ব্যবসা করার ইচ্ছা থাকলে এই ধরনের ট্রেনিং নেওয়া থাকলে ভালো সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। হুগলিতে রয়েছে- NETAJI SUBHAS TRAINING INSTITUTE OF AGRICULTURAL MARKETING, Training Institute of West Bengal State Marketing Board Sasmal para Baidyabati Hooghly 712222 Tel No -2632-1710 /2529 & Fax No- 2632-2529।

৪) ল্যাদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচার কোর্স – মাধ্যমিক স্তরে পড়াশুনার করার পর এই কাজের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্যেও লেদার টেকনোলজি বা ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিং-এর  উপর কোর্স করে নেওয়ার যথেষ্ট সুবিধা রয়েছে। কলকাতার সল্টলেকে রয়েছে গভর্মেন্ট কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং এবং লেদার টেকনোলজির মতো প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে লেদার গুডস এবং সু মেকিং- উপর দুই বছরের জন্য সু অ্যান্ড লেদার গুডস মেকিং-র উপর অ্যাডভাসন্ড সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কাউন্সিল অব টেকনিক্যাল এডুকেশন-র অনুমোদিত এই কোর্স। এই কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য একটি প্রবেশিকা পরীক্ষা দেওয়া হতে পারে। প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের ঠিকানা – Government College of Engineering & Leather Technology, LB-Block, Sector –III, Salt Lake, Kolkata -700098 / http://www.gcelt.gov.in/  এই সমস্ত কোর্স করে রাখার পরে পরবর্তীকালে একাধিক সু বা লেদার গুডস মেকিং আউটসোর্সিং প্রচুর ছোট- বড় আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলিতে কাজের সুযোগ থাকে। সার্টিফিকেট কোর্স করে নিলে পরে অ্যাডভাসন্ড ডিপ্লোমা বা ডিপ্লোমা কোর্স উচ্চমাধ্যমিক যোগ্যতার পর করার জন্য বাড়তি সুবিধা দেয়।

৫) টেলারিং কোর্স – নিজেকে স্বনির্ভর হিসাবে গড়ে তোলার জন্য এবং হাতের কাজ শেখার লক্ষে টেলারিং কোর্স বহুদিন থেকেই প্রচলিত এবং কার্যকরী। বিশেষত ছাত্রীদের জন্য এই কোর্স খুবই উপযোগী নিজেদেরকে স্বনির্ভর হিসাবে গড়ে তোলার জন্য। টেলারিং-র  উপর পড়াশুনা বা বলা যেতে পারে ট্রেনিং নেওয়া থাকলে এই ধরনের কাজে আরও পেশাদার হতে সুবিধা হবে।  কলকাতায় টেলারিং নিয়ে পড়াশুনা করা যেতে পারে Government Tailoring Institute, Address: P-12, New CIT Road, Deb Lane, Entally, Kolkata, West Bengal 700014,  033-22848134 এখান থেকে দুই বছরের ডিপ্লোমা বা এক বছরের অ্যাডভাসন্ড ডিপ্লোমা কোর্স করা যেতে পারে। পুরুষ এবং মহিলা প্রার্থী ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়স  প্রার্থীরাই এই কোর্সে ভর্তি হতে পারেন। এছাড়া বেসরকারি উদো্যগেও অনেক জায়গায় টেলারিং-এর উপর সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়ে থাকে।

One thought on “মাধ্যমিকের পর কী কোর্স রয়েছে চাকরির জন্য 

  • March 28, 2018 at 7:32 am
    Permalink

    I want all salary are Beng same.Becuse every unemployee offer the woke.So my knowege is very poor..or smile.

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *