fbpx

২৬ ওয়ার্ড ও পুরসভায় ৪০২ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শিশু বিকাশ সেবা প্রকল্পের অধীন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির জন্য পৃথক-পৃথক বিক্ষপ্তির মাধ্যমে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা নিয়োগ করা হবে। কেবলমাত্র মহিলারাই আবেদন করতে পারবেন। স্বেচ্ছাসেবামূলক এবং অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হবে, এই কাজে নিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী কখনওই সরকারি কর্মী হিসেবে গণ্য হবেন না।

অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী পদের প্রার্থীকে প্রকল্প অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকা পদের ক্ষেত্রে যে গ্রাম পঞ্চায়েতে শূন্যপদ সেই পঞ্চায়েতে স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, তপশিলি উপজাতি প্রার্থীরা সেই ব্লকের যে-কোনো পঞ্চায়েতের বাসিন্দা হতে পারেন।

ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সহায়িকা প্রার্থীকে যে ওয়ার্ডভিত্তিক শূন্যপদ সেই ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। কার্যক্ষেত্র ও নিযুক্তির তালিকা হবে প্রকল্প অঞ্চল, গ্রামপঞ্চায়েত ও ওয়ার্ড অঞ্চল ভিত্তিক।

যোগ্যতা: অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর ক্ষেত্রে কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক/সমতুল পাশ। অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকার ক্ষেত্রে কোনো স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অষ্টম শ্রেণি পাশ। শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পূর্ণ হতে হবে ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখের মধ্যে।

বয়সসীমা: ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখের হিসেবে বয়স হতে হবে ১৮-৪৫ বছরের মধ্যে। অবসর গ্রহণের বয়স ৬৫ বছর।

পারিশ্রমিক: অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা সাম্মানিক ভাতা এবং সেইসঙ্গে ১৮৫০ টাকা করে দেওয়া হবে। অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের ক্ষেত্রে ১৫০০ টাকা, সেইসঙ্গে ১৮৫০ টাকা দেওয়া হবে।

কাজের পরিধি: অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী: ১) গ্রামাঞ্চলে বা শহরে মোটামুটি কম বেশি ১০০০ জনসংখ্যা পিছু একটি কেন্দ্রে, সেটি কোনো ক্লাবের মধ্যে বা কোনো ব্যক্তিগত গৃহে বা নিজস্ব কেন্দ্রগৃহে একটি স্থানের মাধ্যমে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কাজ করতে হয়।

২) এলাকার প্রসূতি মা, গর্ভবতী মা, ৬ বছর পর্যন্ত শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা পরিপূরক পুষ্টি, প্রতিষেধকের ব্যবস্থা, মাতৃসভা ইত্যাদি পরিষেবা দিতে হবে।

৩) কেন্দ্রের কাজ দৈনিক ছয় ঘণ্টা এবং সোম থেকে শনিবার প্রতি সপ্তাহ।

৪) কেন্দ্রে রোজ রান্নাকরা খাবার শিশুদের এবং মায়েদের দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়।

৫) একজন সহায়িকা এ কাজের জন্য অন্য কর্মীকে সাহায্য করেন।

৬) সহায়িকার অনুপস্থিতিতে কেন্দ্রে রান্না/ খাবার পরিবেশন ব্যবস্থা/ রান্নার বাসন কোসন ধুয়ে মুছে রাখার ব্যবস্থাও করতে হয়।

৭) অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব কাজ ছাড়াও নানা ধরনের সব কাজ যেমন নির্বাচন সংক্রান্ত, পালসপোলিও, জনগণনার কাজ ইত্যাদিও মাঝে মাঝে করতে হয়।

অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকা: ১) গ্রামাঞ্চলে বা শহরে মোটামুটি কম বেশি ১০০০ জনসংখ্যা পিছু একটি কেন্দ্রে, সেটা কোনো ক্লাবের মধ্যে বা কোনো ব্যক্তিগত গৃহে বা নিজস্ব কেন্দ্রগৃহে একটি স্থানের মাধ্যমে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কাজ করতে হয়।

২) এলাকার প্রসূতি মা, গর্ভবতী মা, ৬ বছর পর্যন্ত শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা পরিপূরক পুষ্টি, প্রতিষেধকের ব্যবস্থা, মাতৃসভা ইত্যাদি পরিষেবা দিতে হবে।

৩) কেন্দ্রের কাজ দৈনিক ছয় ঘণ্টা এবং সোম থেকে শনিবার প্রতি সপ্তাহ।

৪) কেন্দে রোজ রান্নাকরা খাবার শিশুদের এবং মায়েদের দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়। কেন্দ্রের রান্নাকরা খাবার পরিবেশন করা, বাসন ধোওয়া মোছা, কেন্দ্র পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার সব দায়িত্ব সহায়িকার।

৫) অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর অনুপস্থিতিতে সহায়িকাকে কর্মীর অন্যান্য কাজও করতে হয়।

দুটি পদের ক্ষেত্রেই নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার শূন্যপদের বিবরণ : http://jibikadishari.co.in/?p=5719

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি: দুটি পদের ক্ষেত্রেই লেখা পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। ৯০ নম্বরের লেখা পরীক্ষায় থাকবে মাতৃভাষায় ১৫০ শব্দের রচনা– অষ্টম শ্রেণি মান (১৫ নম্বর), পাটিগণিত– অষ্টম শ্রেণি মান (২০ নম্বর), জনস্বাস্থ্য পুষ্টি ও নারীদের অবস্থান সম্পর্কিত বিষয় (১৫ নম্বর), ইংরাজি ভাষা সম্পর্কে সাধারণ এবং প্রাথমিক জ্ঞান, এছাড়া ইংরাজিতে অনুবাদ (২০ নম্বর), সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত বিষয় (২০ নম্বর)। লিখিত পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। ইন্টারিভউতে থাকবে ১০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষার জন্য অ্যাডমিট কার্ড সময়মতো ডাকযোগে পাঠানো হবে। যে সময় প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ডাকযোগে পাবেন না তাদের সংশ্লিষ্ট শিশু বিকাশ প্রকল্প আধিকারিকের করণ হতে প্রদত্ত রসিদ এবং অন্যান্য উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতে বিকল্প প্রবেশ পত্র দেওয়া হবে। এই অ্যাডমিট কার্ড শুধুমাত্র প্রার্থীর হাতেই দেওয়া হবে, অন্য কোনো অনুমোদিত ব্যক্তিকে দেওয়া হবে না। এই অ্যাডমিট কার্ড ২৩ আগস্ট থেকে ২৪ আগস্ট ২০১৮ তারিখ বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত দেওয়া হবে।

আবেদনের পদ্ধতি: আবেদন করতে হবে নির্দিষ্ট বয়ানে। যে জেলার শিশু বিকাশ কেন্দ্রের জন্য আবেদন করবেন সেখানকার অফিস থেকে অথবা জেলা ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দিষ্ট বয়ানে দরখাস্ত পূরণ করতে হবে (নিচের লিঙ্ক থেকে তারপর সংশ্লিষ্ট ব্লক/পৌরসভার বিজ্ঞপ্তির লিঙ্কে ক্লিক করে)। সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট মাপের ছবি আবেদনপত্রের নির্দিষ্ট স্থানে সেঁটে দিতে হবে, একই ছবির একটি কপি পূরণ করা আবেদনপত্রের সঙ্গে খামে ভরে পাঠাতে হবে। পূরণ করা আবেদনপত্রের সঙ্গে বয়সের প্রমাণপত্র স্বরূপ মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড/ সার্টিফিকেট, বাসস্থানের প্রমাণপত্র (রেশন কার্ড/ ভোটার কার্ডের প্রত্যয়িত ফোটোকপি, সংসদ/মন্ত্রী/ বিধায়ক/ ডিএম/ এডিএম/এসডিও/ বিডিও/ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান, কর্তৃক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখের পরের যে কোনো তারিখে প্রদত্ত বা স্থানের প্রমাণপত্র), ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র, কাস্ট সার্টিফিকেট (যাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ইত্যাদির স্ব-প্রত্যয়িত জেরক্স দিতে হবে। ১৮ জুন থেকে ১৩ জুলাই বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত যে-কোনো সরকারি কাজের দিনে প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম এবং পদের নাম খামের উপরে উল্লেখ করে সরাসরি গিয়ে (বা সাধারণ ডাকে) জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র ওপরের নির্দেশ মতো বয়ানে ফুলস্ক্যাপ সাদা কাগজে নিজ হাতে, ছাপানো বা টাইপ করে, স্বাক্ষর করে দিতে হবে।

আবেদনপত্রে স্মারকসংখ্যা লিখবেন:

আমডাঙার ক্ষেত্রে ১১৩(২২)/১/ এএমডি/আইসিডিএস, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বাগদার ক্ষেত্রে ১৯৪/বিএজি/ এএমডি/আইসিডিএস, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বরানগরের ক্ষেত্রে ৮৯/আইসিডিএস/বিআর, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বারাসাত শহরের ক্ষেত্রে ১৬৪/বিএসটিইউ/আইসিডিএস, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বারাকপুর শহরের ক্ষেত্রে ৫০/ আইসিডিএস/বিকেপি (ইউ), তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বারাকপুরএর ক্ষেত্রে ১১৭/ আইসিডিএস/বিকেপি-১, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বারাকপুরএর ক্ষেত্রে ৯৬/ আইসিডিএস/বিকেপি-২, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বসিরহাট এর ক্ষেত্রে ১০২/ আইসিডিএস/বসিরহাট-২, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

ভাটপাড়ার ক্ষেত্রে ২৯৮/ আইসিডিএস/ভাট, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

ভাটপাড়াএর ক্ষেত্রে ১১২/ আইসিডিএস/ভাট-২, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

বনগাঁ শহরের ক্ষেত্রে ১০৫/বিএনজিইউ/আইসিডিএস, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

দেগঙ্গার ক্ষেত্রে ১৪৫/দেগঙ্গা/ আইসিডিএস, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

দমদম শহরের ক্ষেত্রে ৬০/বিএজি/আইসিডিএস/ডিডিইউ, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

গাইঘাটার ক্ষেত্রে ১৬২/ আইসিডি/গাই, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

গোবরডাঙার ক্ষেত্রে ৬৭/ আইসিডি/জিওবি, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

হাবড়াএর ক্ষেত্রে ২৪৯/ আইসিডি/হাব-২, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

হিঙ্গলগঞ্জের ক্ষেত্রে ২১৮/ আইসিডিএস/এইচএনজি, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

কামারহাটির ক্ষেত্রে ৭৪/ আইসিডিএস/কে, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

কাঁচরাপাড়ার ক্ষেত্রে ২৪৭/ আইসিডিএস/কেপিএ(ইউ), তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

খড়দহর ক্ষেত্রে ৮৪/ আইসিডিএস/কেডিএইট, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

মিনাখাঁ ক্ষেত্রে ৮৬/ আইসিডিএস/এমকে, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

নৈহাটির ক্ষেত্রে ১৩৫/ আইসিডিএস/এনএইচ(ইউ), তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

উত্তর বারাকপুরের ক্ষেত্রে ৫৫/ আইসিডিএস/এনবিকেপি (নগর), তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

দক্ষিণ দমদমের ক্ষেত্রে ২৩৭/ আইসিডিএস/ডিডিএস, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

স্বরূপনগরের ক্ষেত্রে ১৮০/ আইসিডি/এমডব্লুপি, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

টিটাগড়ের ক্ষেত্রে ২০৯/ আইসিডি/টিট, তারিখ ১১/০৬/২০১৮।

সব বিজ্ঞপ্তি সহ বিস্তারিত জানা যাবে এই লিঙ্ক থেকে: http://north24parganas.gov.in/n24p/recruitment_notice.php

আরও ২৫৬ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা : http://jibikadishari.co.in/?p=5785

 

 

 

 

One thought on “২৬ ওয়ার্ড ও পুরসভায় ৪০২ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *