fbpx

আর্মির ১৩৭ পাবলিক স্কুলে পিজিটি/টিজিটি/প্রাইমারি টিচার নিয়োগের পরীক্ষা

সারা দেশের ১৩৭টি আর্মি পাবলিক স্কুলে প্রায় ৮০০০ শিক্ষক/শিক্ষিকা রয়েছেন, যার মধ্যে প্রতিবছর অবসর বা অন্যান্য নানা কারণে প্রচুর পদ খালি হয়। সেই জায়গায় নতুন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়। প্রতিবছরের মতো এবছরও পিজিটি/ টিজিটি/ পিআরটি টিচার নিয়োগ করা হবে। কম্বাইন্ড সিলেকশন স্ক্রিনিং এগজামিনেশন ২০১৮-এর মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে।  কম্বাইন্ড সিলেকশন স্ক্রিনিং এগোজামিনেশন হবে ১৭ ও ১৮ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে। অনলাইন আবেদন করা যাবে ২৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত। পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করা যাবে ৩ নভেম্বর থেকে। একজন পিজিটি/ টিজিটি/ পিআরটি টিচার-এর কেবল একটি পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচারের ক্ষেত্রে ইংলিশ, হিন্দি, হিস্ট্রি, জিওগ্রাফি, ইকোনমিক্স, পলিটিক্যাল সায়েন্স, ম্যাথমেটিক্স, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, সাইকোলজি, কমার্স, হোমসায়েন্স প্রভতি বিষয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি। ফিজিক্যাল এডুকেশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি থাকলেই হবে, বিএডের দরকার নেই। ফিজিক্যাল এডুকেশন বাদে বাকি সবকটি বিষয়ের ক্ষেত্রে বিএড থাকতে হবে। প্রসঙ্গত, বায়োলজি বিষয়ের ক্ষেত্রে বটানি সহ জুলজি বা জুলজি সহ বটানিতে মাস্টার ডিগ্রি। এছাড়া মাইক্রো বায়োলজি/ মলিকিউলার বায়োলজি/ এগ্রিকালচারাল বটানিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি থাকলে অথবা আরসিই, এনসিইআরটি থেকে জুলজি/ বটানিতে এমএসসি ইডি থাকলে আবেদন করতে পারবেন। বায়োটেকের ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজি বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার সায়েন্স ইনফরমেটিক্সের ক্ষেত্রে কম্পিউটার সায়েন্স/ আইটি/ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইলেক্ট্রনিক্স/ ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনে বিই/ বিটেক অথবা কম্পিউটার সায়েন্স/ আইটিতে এমসিএ/ অথবা ম্যাথমেটিক্স/ ফিজিক্স/ স্ট্যাটিস্টিক্সে এমএসসি সঙ্গে কম্পিউটার সায়েন্সে বিএসসি/ বিসিএ/ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তিন বছরের ডিপ্লোমা অথবা এআইসিটিই স্বীকৃত আইটি/ পিজিডিসিএ অথবা ডোয়েকের বি লেভেল।

ট্রেইন্ড গ্র্যাজুয়েট টিচার (টিজিটি) দের ক্ষেত্রে ইংলিশ, হিন্দি, সংস্কৃত, হিস্ট্রি, জিওগ্রাফি, পলিটিক্যাল সায়েন্স, ম্যাথমেটিক্স, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, বটানি অ্যান্ড জুলজি বিষয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি। এছাড়াও আরসিই, এনসিইআরটি থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএ ইডি থাকলে আবেদন করতে পারবেন। শুধুমাত্র বায়োলজির ক্ষেত্রে বটানি ও জুলজি সহ ডিগ্রি বা হোম সায়েন্সে বিএসসি থাকলে আবেদন করতে পারবেন। সবক্ষেত্রেই বিএড থাকতে হবে।

প্রাইমারি টিচারের ক্ষেত্রে গ্র্যাজুয়েট সঙ্গে বিএড থাকতে হবে। সবক্ষেত্রেই ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।

টিজিটি/ পিআরটির নিয়মিত বা চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য সিটেট/ টেট পাশ করে থাকতে হবে। অন্যান্যদের ক্ষেত্রে সিটেট/ টেট না থাকলেও আবেদন করতে পারবেন, তবে এক্ষেত্রে ট্রেনিং সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত থোক বেতনের ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে।

বয়সসীমা: ১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ অনুযায়ী ফ্রেশ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ৪০ বছরের কম (তবে এনসিআর স্কুলের ক্ষেত্রে টিজিটি/ পিআরটির জন্য বয়স হতে হবে ২৯ বছরের কম ও পিজিটির ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ৩৬ বছরের কম) অভিজ্ঞতাধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ অনুযায়ী বয়স হতে হবে ৫৭ বছরের কম (অভিজ্ঞতাসম্পন্নদের ক্ষেত্রে গত দশ বছরে অন্তত ৫ বছরের টিচিং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে)।

বেতনক্রম: কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বেসিক ও গ্রেড পে স্থির করা হবে। এছাড়া স্কুল ম্যানেজমেন্টের নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য ভাতা স্থির হবে।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি: তিনটি ধাপের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। প্রথম ধাপে লেখা পরীক্ষা, দ্বিতীয় ধাপে ইন্টারভিউ ও ততীয় ধাপে টিচিং স্কিল ও কম্পিউটারের দক্ষতা দেখা হবে। সিলেকশন কমিটি প্রয়োজন মনে করলে কম্পিউটারের দক্ষতা নির্ণায়ক পরীক্ষাও নিতে পারবেন। লিখিত পরীক্ষার স্কোর কার্ড পেলে ইন্টারভিউ ও টিচিং স্কিলের জন্য ডাকা হবে। অনলাইন পরীক্ষায় মাল্টিপল চয়েস টাইপের প্রশ্ন থাকবে। পিজিটি/ টিজিটিদের ক্ষেত্রে পার্ট এতে অবজেকটিভ টাইপের প্রশ্ন থাকবে জেনারেল অ্যাওয়্যারনেস, মেন্টাল এবিলিটি, ইংলিশ কম্প্রিহেনশন, এডুকেশনাল কনসেপ্ট অ্যান্ড মেথডোলজির উপর প্রশ্ন হবে। মোট ৯০ নম্বরের প্রশ্ন। পার্ট-বিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর প্রশ্ন থাকবে। মোট ৯০ নম্বর। পার্ট এ ও পার্ট বি মিলিয়ে সময় ৩ ঘণ্টা।

প্রাইমারি টিচারের (অবজেক্টিভ টাইপের প্রশ্ন থাকবে জেনারেল অ্যাওয়্যারনেস, মেন্টাল এবিলিটি, ইংলিশ কম্প্রিহেনশন, এডুকেশনাল কনসেপ্ট ও মেথডোলজি বিষয়ের উপর। মোট ৯০ নম্বর, সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। কোনো নেগেটিভ মার্কিং থাকবে না। http://aps-csb.in রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল থেকে গত পাঁচ বছরের প্রশ্নপত্র দেখতে পাওয়া যাবে, পার্ট এ ও পার্ট বি-র প্রশ্নপত্র চাইলে ১০০ টাকা করে মোট ২০০ টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার ২৪ ঘণ্টা পর থেকে প্রশ্নপত্র ডাউনলোড করা যাবে।

আবেদনের পদ্ধতি:  http://aps-csb.in অথবা www.awesindia.com পোর্টালে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হবে। অনলাইন আবেদন করার আগে ছবি, স্বাক্ষর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট স্ক্যান করে রাখতে হবে। ছবির মাপ হতে হবে ১৪০×১৬০ (৬০ কেবি) ও স্বাক্ষরের মাপ ৬০×৯০ (৩০ কেবি)।  বৈধ ইমেল আইডি ও মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ করা হয়ে গেলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। পূরণ করা অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের একটি প্রিন্ট-আউট নিয়ে রাখতে হবে। অনলাইন আবেদন করা যাবে ২৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত।

পরীক্ষার ফি: পরীক্ষার ফি ৫০০ টাকা। ডেবিট কার্ড/ ক্রেডিট কার্ড/ নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে ফি দেওয়া যাবে। এছাড়া ওয়েবসাইট থেকে চালান ডাউনলোড করে তা পূরণ করে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার যে-কোনো শাখায় পরীক্ষার ফি দিতে পারবেন।

পরীক্ষকেন্দ্র: ক্রমিক সংখ্যা ১: আগরতলা। ক্রমিক সংখ্যা ২: আগ্রা। ক্রমিক সংখ্যা ৩: আহমেদাবাদ। ক্রমিক সংখ্যা ৪: আহমেদনগর। ক্রমিক সংখ্যা ৫: আজমের। ক্রমিক সংখ্যা ৬: এলাহাবাদ। ক্রমিক সংখ্যা ৭: আলওয়ার। ক্রমিক সংখ্যা ৮: আম্বালা। ক্রমিক সংখ্যা ৯: অমৃতসর। ক্রমিক সংখ্যা ১০: বেঙ্গালুরু। ক্রমিক সংখ্যা ১১: বরেলি। ক্রমিক সংখ্যা ১২: ব্যারাকপুর। ক্রমিক সংখ্যা ১৩: বহরমপুর। ক্রমিক সংখ্যা ১৪: ভতিন্ডা। ক্রমিক সংখ্যা ১৫: ভোপাল। ক্রমিক সংখ্যা ১৬: ভুবনেশ্বর। ক্রমিক সংখ্যা ১৭: ভুজ। ক্রমিক সংখ্যা ১৮: বিকানীর। ক্রমিক সংখ্যা ১৯: চণ্ডীগড়। ক্রমিক সংখ্যা ২০: চেন্নাই। ক্রমিক সংখ্যা ২১: কোয়েম্বাটোর। ক্রমিক সংখ্যা ২২: দেরাদুন। ক্রমিক সংখ্যা ২৩: দিল্লি। ক্রমিক সংখ্যা ২৪: দুর্গাপুর। ক্রমিক সংখ্যা ২৫: গাজিয়াবাদ। ক্রমিক সংখ্যা ২৬: গোরক্ষপুর। ক্রমিক সংখ্যা ২৭: গুরুগ্রাম। ক্রমিক সংখ্যা ২৮: গুয়াহাটি। ক্রমিক সংখ্যা ২৯: গোয়ালিয়র। ক্রমিক সংখ্যা ৩০: হলদিওয়ানি। ক্রমিক সংখ্যা ৩১: হিসার। ক্রমিক সংখ্যা ৩২: হায়দরাবাদ। ক্রমিক সংখ্যা ৩৩: ইন্দোর। ক্রমিক সংখ্যা ৩৪: জবলপুর। ক্রমিক সংখ্যা ৩৫: জয়পুর। ক্রমিক সংখ্যা ৩৬: জলন্ধর। ক্রমিক সংখ্যা ৩৭: জম্মু। ক্রমিক সংখ্যা ৩৮: ঝাঁসি। ক্রমিক সংখ্যা ৩৯: যোধপুর। ক্রমিক সংখ্যা ৪০: কাঙ্গারা। ক্রমিক সংখ্যা ৪১: কানপুর। ক্রমিক সংখ্যা ৪২: কাপুরথালা। ক্রমিক সংখ্যা ৪৩: কলকাতা। ক্রমিক সংখ্যা ৪৪: কোটা। ক্রমিক সংখ্যা ৪৫ লক্ষ্ণৌ। ক্রমিক সংখ্যা ৪৬: মথুরা। ক্রমিক সংখ্যা ৪৭: মিরাট। ক্রমিক সংখ্যা ৪৮: মুম্বই। ক্রমিক সংখ্যা ৪৯: নাগপুর। ক্রমিক সংখ্যা ৫০: নাজিবাবাদ। ক্রমিক সংখ্যা ৫১: নাসিক। ক্রমিক সংখ্যা ৫২: নয়ডা/ গ্রেটার নয়ডা। ক্রমিক সংখ্যা ৫৩: পাঠানকোট। ক্রমিক সংখ্যা ৫৪: পাতিয়ালা। ক্রমিক সংখ্যা ৫৫: পাটনা। ক্রমিক সংখ্যা ৫৬: পুণে। ক্রমিক সংখ্যা ৫৭: রাঁচি। ক্রমিক সংখ্যা ৫৮: রানিখেত। ক্রমিক সংখ্যা ৫৯: রুরকি। ক্রমিক সংখ্যা ৬০: সাংরুর। ক্রমিক সংখ্যা ৬১: সগুর। ক্রমিক সংখ্যা ৬২: সেকেন্দ্রারাবাদ। ক্রমিক সংখ্যা ৬৩: শিলং। ক্রমিক সংখ্যা ৬৪: শিলিগুড়ি। ক্রমিক সংখ্যা ৬৫: সোলান। ক্রমিক সংখ্যা ৬৬: শ্রীগঙ্গানগর। ক্রমিক সংখ্যা ৬৭: শ্রীনগর। ক্রমিক সংখ্যা ৬৮: ত্রিবান্দ্রাম। ক্রমিক সংখ্যা ৬৯: বারাণসী। ক্রমিক সংখ্যা ৭০: বিজয়ওয়াড়া।

 

One thought on “আর্মির ১৩৭ পাবলিক স্কুলে পিজিটি/টিজিটি/প্রাইমারি টিচার নিয়োগের পরীক্ষা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *