fbpx

কেন্দ্রীয় সরকারের কয়েকশো অনুবাদক নিয়োগ

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসগুলিতে জুনিয়র ট্রানস্লেটর, জুনিয়র হিন্দি ট্রানস্লেটর, সিনিয়র হিন্দি ট্রানস্লেটর এবং হিন্দি প্রধ্যাপক নিয়োগ করা হবে। প্রার্থী বাছাই করবে স্টাফ সিলেকশন কমিশন। পদগুলি গ্রুপ-বি, নন-গেজেটেড।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: (১) জুনিয়র ট্রানস্লেটর (এ. সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিস, বি. মিনিস্ট্রি অব রেলওয়েজ, সি. আর্মড ফোর্সেস হেড কোয়ার্টার্স, ডি. (এক্ষেত্রে জুনিঃ হিন্দি ট্রানস্লেটরও) কিছু সাবর্ডিনেট অফিসে): (ক) হিন্দি/ ইংরেজিতে মাস্টার ডিগ্রি বা সমতুল। সঙ্গে ডিগ্রি স্তরে আবশ্যিক/ঐচ্ছিক বিষয় বা পরীক্ষার মাধ্যম  হিসেবে বিপরীতক্রমে ইংরেজি/ হিন্দি থাকতে হবে। অথবা, (খ) হিন্দি মাধ্যমের বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দি বা ইংরেজি ছাড়া যে-কোনো বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি, সঙ্গে ডিগ্রি স্তরে আবশ্যিক/ঐচ্ছিক বিষয় বা পরীক্ষার মাধ্যম  হিসেবে ইংরেজি থাকতে হবে। অথবা (গ) ইংরেজি মাধ্যমের বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দি বা ইংরেজি ছাড়া যে-কোনো বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি, সঙ্গে ডিগ্রি স্তরে আবশ্যিক/ঐচ্ছিক বিষয় বা পরীক্ষার মাধ্যম  হিসেবে  হিন্দি থাকতে হবে। অথবা (ঘ) হিন্দি বা ইংরেজি ছাড়া যে-কোনো বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি, সঙ্গে ডিগ্রি স্তরে আবশ্যিক/ঐচ্ছিক বিষয় হিসাবে হিন্দি ও ইংরেজি অথবা এর একটি আবশ্যিক/ঐচ্ছিক বিষয় ও অন্যটি পরীক্ষার মাধ্যম হিসেবে থাকতে হবে। অথবা (ঙ)  হিন্দি থেকে ইংরেজি/ ইংরেজি থেকে হিন্দিতে অনুবাদে সার্টিফিকেট / ডিপ্লোমা কোর্স অথবা কেন্দ্রীয় সরকার/ রাজ্য সরকার/ সরকার অধিগৃহীত কোনো অফিসে হিন্দি থেকে ইংরেজি/ ইংরেজি থেকে হিন্দিতে অনুবাদের কাজে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

(২) ই. সিনিয়র হিন্দি ট্রানস্লেটর (বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রক/দপ্তর/অফিসে) পদের জন্যও ওপরের মতো যোগ্যতা, তবে অনুবাদের অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে ৩ বছরের হতে হবে।

(৩) এফ. আরও কিছু সাবর্ডিনেট অফিসে জুনিয়র ট্রানস্লেটর ও জুনিঃ হিন্দি ট্রানস্লেটর: (ক) হিন্দি/ ইংরেজিতে মাস্টার ডিগ্রি বা সমতুল। সঙ্গে ডিগ্রি স্তরে আবশ্যিক/ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে বিপরীতক্রমে ইংরেজি/ হিন্দি থাকতে হবে। অথবা (খ) প্রধান বিষয় (আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক) হিসাবে ইংরেজি ও হিন্দি নিয়ে গ্র্যাজুয়েট।

(৪) জি. হিন্দি প্রধ্যাপক (সেন্ট্রাল হিন্দি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে) পদের জন্য যে-কোন বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি সহ হিন্দিতে ব্যাচেলর ডিগ্রি, সঙ্গে ডিগ্রি স্তরে ইংরেজি আবশ্যিক/ ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে নিয়ে থাকতে হবে। এডুকেশনে ব্যাচেলর ডিগ্রি বা সমতুল থাকা চাই। কোনো কেন্দ্রীয়/রাজ্য সরকারি বা স্বীকৃত স্কুলের সিনিয়র সেকেন্ডারি স্তরে কমপক্ষে ২ বছর হিন্দিও পড়ানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

সব পদের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদির শর্ত ১ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখের মধ্যে সম্পূর্ণ হতে হবে।

বয়সসীমা: ১ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখের হিসেবে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৩০ বছর। তপশিলি, ওবিসি, শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা বয়সে যথাক্রমে ৫ বছর, ৩ বছর এবং ১০ বছর পর্যন্ত ছাড় পাবেন।

বেতনক্রম: এ, বি, সি, ডি, এফ পদগুলির জন্য মূল বেতন ৩৫৪০০-১১২৪০০ টাকা, ই পদের জন্য ৪৪৯০০-১৪২৪০০ টাকা, জি পদের জন্য ৪৭৬০০-১৫১১০০ টাকা।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি: প্রার্থী বাছাই করা হবে দুটি পার্টে, পার্ট ওয়ান কম্পিউটার ভিত্তিক অবজেক্টিভ টাইপের লিখিত পরীক্ষা এবং তাতে সফল হলে পার্ট-টু চিরাচরিত ডেসক্রিপটিভ টাইপের পরীক্ষা। পার্ট-ওয়ান হবে আগামী ১২ জানুয়ারি। ২০০ নম্বরের ২ ঘণ্টার পরীক্ষা। থাকবে জেনারেল হিন্দি (১০০ নম্বর, ১০০ প্রশ্ন) জেনারেল ইংলিশ (১০০ নম্বর, ১০০ প্রশ্ন)। নেগেটিভ মার্কিং থাকবে ০.২৫ হারে। পার্ট-টুতে ডেসক্রিপটিভ টাইপের ২ ঘণ্টার ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় থাকবে ট্রানস্লেশন ও এসে। দুই পার্টে মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে চড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরি হবে।পার্ট-টুর তারিখ পরে জানানো হবে।

আবেদনের ফি: আবেদনের ফি ১০০ টাকা। নিচের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা চালানের মাধ্যমে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার যে-কোনো শাখায় ফি দেওয়া যাবে। এছাড়া ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড ও এসবিআই নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমেও ফি দেওয়া যাবে। অনলাইনে আগামী ২১ নভেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে বা অফলাইনের ক্ষেত্রে (২১ নভেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে চালান ডাউনলোড করে রাখলে) ২৬ নভেম্বর ব্যাংকের কাজের সময়ের মধ্যে। তপশিলি জাতি/ উপজাতি, শারীরিক প্রতিবন্ধী, প্রাক্তন সেনাকর্মী ও মহিলা প্রার্থীদের আবেদনের ফি দিতে হবে না।

আবেদনের পদ্ধতি: https://ssc.nic.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হবে। প্রথমে অনলাইন রেজিস্ট্রেশ করতে হবে, তারপর ইউজার নেম (ইমেল আইডি) ও সেই রেজিস্ট্রেশনের পাসওয়ার্ড দিয়ে আবার ঢুকে ‘অ্যাপ্লাই’ লিঙ্কে Junior Hindi Translator, Junior Translator, Senior Hindi Translator and Hindi Pradhyapak  Examination 2018-এ আবদন করতে হবে। আগে রেজিস্ট্রেশন করা থাকলে নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় না। রেজিস্ট্রেশনের পদ্ধতি আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি http://jibikadishari.co.in/?p=6634 লিঙ্কে। অনলাইন আবেদন করার আগে আবেদনের খুঁটিনাটি ও ফর্ম ফিলাপের পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন ওয়েবসাইটেই। দরখাস্তে আপলোড করার জন্য সাদা কাগজে কালো কালিতে করা নিজের স্বাভাবিক সই ও সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট মাপের রঙিন ছবির জেপেগ ফরম্যাটে স্ক্যান করা ইমেজ তৈরি রাখতে হবে, ছবি হতে হবে ২০-৫০ কেবির মধ্যে, মাপ চওড়ায় ৩.৫, উচ্চতায় ৪.৫ সেমি।স্বাক্ষর ১০-২০ কেবির মধ্যে, মাপ চওড়ায় ৩.৫, উচ্চতায় ৩ সেমি। আধার কার্ড বা তার জন্য রেজিস্ট্রেশনের নম্বর না থাকলে বাঁহাতের বুড়ো আঙুলের (না থাকলে ডানহাতের বুড়ো আঙুলের, তাও না থাকলে বাঁ/না থাকলে ডান পায়ের বুড়ো আঙুলের, মাপ চওড়ায় ৩, লম্বায় ৩ সেমি) ছাপও স্ক্যান করে রাখতে হবে। অনলাইন আবেদন করার সময় ছবি ও স্বাক্ষর নির্দিষ্ট স্থানে আপলোড করতে হবে।

অনলাইন আবেদন করা যাবে ১৯ নভেম্বর ২০১৮ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

অন্যান্য কোড: ক্যাটেগরি, পাশ করা পরীক্ষা, সেই পরীক্ষার বিষয় ইত্যাদির কোড নম্বর সহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য জানা যাবে উপরোক্ত ওয়েবসাইটে, বা সরাসরি এই লিঙ্কে:

https://ssc.nic.in/SSCFileServer/PortalManagement/UploadedFiles/notice_jht2018_22102018.pdf  পাবেন আমাদের পোর্টালেও সার্চ করে (http://jibikadishari.co.in/?p=8299)

প্রসঙ্গত, স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষায় কোন অসদুপায়ের কী শাস্তি সেবিষয়ে আমাদের আলোচনা ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ‘এসএসসির পরীক্ষায় অসদুপায় ১৯ রকম, শাস্তি ৪ রকম’ শিরোনামে, এই লিঙ্কে: http://jibikadishari.co.in/?p=5446

পরীক্ষাকেন্দ্রকোড নম্বর:  আবেদনপত্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করতে হবে এইসব কোড নম্বরে: কলকাতা (৪৪১০) পোর্ট ব্লেয়ার (৪৮০২) গ্যাংটক (৪০০১) ভুবনেশ্বর (৪৬০৪) রাঁচি (৪২০৫)।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *