fbpx

আর্মিতে বিই কোর্স করিয়ে ৯০ অফিসার নেবে

বিই/বিটেক কোর্স করিয়ে ৯০ জন তরুণ অফিসার নেবে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ১০+২ টেকনিক্যাল এন্ট্রি স্কিম (টিইএস) কোর্স-৪১-এর মাধ্যমে। ক্যাডেট হিসাবে স্টাইপেন্ড সহ জওহরলাল ইউনিভার্সিটির অ্যাফিলিয়েটেড ৪ বছরের (৮ সেমেস্টার) ওই কোর্স ও ট্রেনিং শেষ হলে নিয়োগ হবে পার্মানেন্ট কমিশনে। আবেদন করতে হবে অনলাইনে। এই সুযোগ শুধু অবিবাহিত পুরুষদের জন্য।

মোট শূন্যপদ: ৯০টি। তবে ট্রেনিংয়ের উপর নির্ভর করে এই সংখ্যার পরিবর্তন হতে পারে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান শাখায় উচ্চমাধ্যমিক (১০+২) বা সমতুল পাশ, তবে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ও ম্যাথমেটিক্স বিষয়ে মোট ৭০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।

বয়সসীমা: কোর্স শুরুর মাসের এক তারিখের হিসাবে বয়স হতে হবে সাড়ে ১৬ থেকে সাড়ে ১৯ বছরের মধ্যে। অর্থাৎ জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি, ২০০০ তারিখে বা তার পর থেকে ১ জানুয়ারি ২০০৩ তারিখে বা তার আগে।

শারীরিক মাপজোক: প্রার্থীকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ হতে হবে। ভালো স্বাস্থ্য থাকতে হবে। ন্যূনতম উচ্চতা হতে হবে ১৫৭.৫ সেমি (উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে ৫ সেমি ছাড় পাওয়া যাবে), ওজন হতে হবে উচ্চতা ও বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেমন ১৫৭ সেমি উচ্চতা থাকলে ১৬-১৭ বছর বয়সের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ওজন হতে হবে ৪৫ কেজি। ১৭-১৮ বছর বয়সের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৭ কেজি। ১৮-১৯ বছর বয়সের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৮ কেজি। ১৯-২০ বছর বয়সের প্রার্থীদের ৪৯ কেজি। উপযুক্ত বুকের ছাতি থাকতে হবে ও তা অন্তত ৫ সেমি ফোলাতে হবে। দৃষ্টিশক্তি হতে হবে চশমা ছাড়া ৬/৬। মায়োপিয়া থাকলে তা ২.৫ ডায়প্টারের বেশি যেন না হয়। হাইপারমেট্রোপিয়া থাকলে তা ৩.৫ ডায়প্টারের বেশি হলে চলবে না। বাইনোকুলার ভিশন অর্থা্ৎ দুচোখে আলাদা-আলাদা ভাবে দেখার সমান ক্ষমতা থাকা চাই।

ট্রেনিং: প্রথমে ৪১তম কোর্সে পাঁচ বছর। প্রথম বছরে ট্রেনিং হবে গোয়ার অফিসারস’ ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে। তারপর টেকনিক্যাল ট্রেনিং হবে চার বছরের, দুটি ধাপে। তাতে ফেজ-ওয়ানের ট্রেনিং তিন বছরের। ট্রেনিং চলবে সিএমই পুণে, এমসিটিই মাউ ও এমসিইএমই সেকেন্দ্রাবাদে। ফেজ-২ ট্রেনিং এক বছরের। উপরের তিনটি জায়গায় ট্রেনিং হবে। ট্রেনিং শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি দেওয়া হবে। ট্রেনিংয়ের বইপত্র সহ সমস্ত খরচ সরকার বহন করবে।

স্টাইপেন্ড, বেতন: ট্রেনিং চলাকালীন প্রতিমাসে ৫৬৫০০ টাকা হিসাবে স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে, তৃতীয় বছরের পর। চার বছর ট্রেনিং শেষ হওয়ার পর প্রথমে লেফটেন্যান্ট র‍্যাঙ্কে বেতন, পরে পদোন্নতি হলে সেইমতো বেতন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ভাতা বাড়বে। যেমন লেফটেন্যান্ট র‍্যাঙ্কের ক্ষেত্রে পে ব্যান্ড-১০ অনুযায়ী পে স্কেল ৫৬১০০-১৭৭৫০০ টাকা, ক্যাপ্টেন র‍্যাঙ্কের ক্ষেত্রে পে ব্যান্ড-১০বি অনুযায়ী পে স্কেল ৬১৩০০-১৯৩৯০০টাকা। এছাড়াও মিলিটারি পে মাসে ১৫৫০০ টাকা, অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা আছে।

প্রার্থী নির্বাচন: প্রার্থী বাছাই করবে সার্ভিসেস সিলেকশন বোর্ড। প্রাথমিক ভাবে বাছাই করা প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ে ডাকা হবে। ইন্টারভিউ হবে ভোপাল, বেঙ্গালুরু, কাপুরথালা অথবা এলাহাবাদে। ইন্টারভিউ চলবে পাঁচ দিন ধরে। সাইকোলজিক্যাল টেস্ট, গ্রুপ টেস্ট ও ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। প্রথম ধাপে সফল হলে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা দেওয়া যাবে। সফল না হলে ওই দিনই ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

আবেদন পদ্ধতি: আবেদন করতে হবে অনলাইনে www.joinindianarmy.nic.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে, সাইটে দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী। আবেদন করার আগে সমস্ত নিয়মাবলি বিস্তারিত পড়ে নেওয়া ভালো। সঠিক ভাবে পূরণ করা আবেদনপত্র সাবমিট করার পর একটি রোল নম্বর পাবেন। সেটি টুকে যত্ন করে রাখবেন। আবেদন সাবমিট করার পর তার দুটি প্রিন্ট-আউট নেবেন। এককপি প্রিন্ট-আউটে সঠিক জায়গায় সই করবেন। এই দুই কপি প্রিন্ট-আউট, ২০ কপি পাসপোর্ট মাপের ছবি, মাধ্যমিকের মার্কশিট/ সার্টিফিকেট (বয়সের প্রমাণপত্র হিসাবে), উচ্চমাধ্যমিকের মার্কশিট বা সার্টিফিকেট এবং একটি সচিত্র পরিচয়পত্র ইন্টারভিউয়ের সময় নিয়ে যেতে হবে। প্রিন্ট-আউটের একটি কপি প্রার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। অনলাইনে ২৭ নভেম্বর, ২০১৮ বেলা ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *