fbpx

এয়ারফোর্সে ট্রেনিং দিয়ে পুরুষ-মহিলা অফিসার

ভারতীয় বিমান বাহিনীতে এয়ার ফোর্স কমন অ্যাডমিশন অনলাইন টেস্ট এন্ট্রি (এএফসিএটি-১/২০১৯)-র মাধ্যমে ফ্লাইং ব্রাঞ্চ ও গ্রাউন্ড ডিউটি (টেকনিক্যাল এবং নন-টেকনিক্যাল)/ এনসিসি স্পেশ্যাল এন্ট্রির জন্য জানুয়ারি ২০২০ কোর্সে প্রশিক্ষণ দিয়ে বেশ কিছু তরুণ-তরুণী অফিসার নিয়োগ করা হবে শর্ট শার্ভিস কমিশন (এসএসসি) ও পার্মানেন্ট কমিশনে (পিসি)। নিচের যোগ্যতার যে-কোনো ভারতীয়রা আবেদন করতে পারবেন।

ব্রাঞ্চ, কোর্সের নম্বর শূন্যপদ: এএফসিএটি এন্ট্রি: ফ্লাইং ব্রাঞ্চ (পুরুষ ও মহিলাদের জন্য), কোর্স নম্বর ২০৭/ ২০এফ/ এসএসসি/ এমঅ্যান্ডডব্লু। শর্ট সার্ভিস কমিশন, শূন্যপদ ২৫।

গ্রাউন্ড ডিউটি (টেকনিক্যাল): ২০৬/ ২০টি/ পিসি/ এম (পুরুষদের), ২০৬/ ২০টি/ এসএসসি/ এমঅ্যান্ডডব্লু (পুরুষ, মহিলা)। এ ই (এল)- পার্মানেন্ট কমিশনে শূন্যপদ ২৪¸ শর্ট সার্ভিস কমিশনে শূন্যপদ ৩২। এ ই (এম)- পার্মানেন্ট কমিশনে ১০, শর্ট সার্ভিস কমিশনে ১৪।

গ্রাউন্ট ডিউটি (নন-টকেনিক্যাল): ২০৬/ ২০জি/ পিসি/ এম (পুরুষ), ২০৬/ ২০জি/ এসএসসি/ এমঅ্যান্ডডব্লু (পুরুষ, মহিলা)। অ্যাডমিন- পার্মানেন্ট কমিশনে ১১, শর্ট সার্ভিস কমিশনে ১৫। লজিস্টিক্স- পার্মানেন্ট কমিশনে ৫, শর্ট সার্ভিস কমিশনে ৯। অ্যাকাউন্টস- পার্মানেন্ট কমিশনে ৭, শর্ট সার্ভিস কমিশনে ১১।

এনসিসি স্পেশ্যাল এন্ট্রি: ফ্লাইং: ২০৭/ ২০এফ/ পিসি/ এম, ২০৭/ ২০এফ/ এসএসসি/ এমঅ্যান্ডডব্লু: সিডিএসইর আসনের ১০ শতাংশ থাকবে এখান থেকে পার্মানেন্ট কমিশনের জন্য, অ্যাফক্যাটের শূন্যপদের ১০% ভরা হবে শর্ট সার্ভিস কমিশনের জন্য।

বয়সসীমা: ফ্রাইং ব্রাঞ্চের ক্ষেত্রে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখের হিসেবে বয়স হতে হবে ২০-২৪ বছরের মধ্যে (জন্মতারিখ ২ জুলাই ১৯৯৬ থেকে ১ জানুয়ারি ২০০০), তবে বৈধ কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স থাকলে ২০-২৬ বছর।

গ্রাউন্ড ডিউটি (টেকনিক্যাল/ নন-টেকনিক্যাল শাখা)-র ক্ষেত্রে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখের হিসেবে ২০-২৬ বছরের মধ্যে (জন্মতারিখ ২ জানুয়ারি ১৯৯৪ থেকে ১ জানুয়ারি ২০০০)।

যোগ্যতা: ১) ফ্লাইং ব্রাঞ্চ: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে যে-কোনো শাখায় গ্র্যাজুয়েট এবং অথবা ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে বিএ/ বিটেক (চার বছরের) অথবা ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে অ্যাসোশিয়েট মেম্বারশিপের সেকশন এ ও বি পরীক্ষা পাশ করে থাকতে হবে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বা অ্যারোনটিক্যাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়া থেকে। প্রসঙ্গত, ১০+২ স্তরে ম্যাথমেটিক্স এবং ফিজিক্সে প্রতিটিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করে থাকতে হবে।

২) গ্রাউন্ড ডিউটি (টেকনিক্যাল)- এএ) অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার (ইলেক্ট্রনিক্স) এ ই-এল: ১০+২ স্তরে ফিজিক্স এবং ম্যাথমেটিক্স প্রতিটিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর সহ পাশ সঙ্গে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং/ টেকনোলজিতে চার বছরের গ্র্যাজুয়েশন/ ইন্টিগ্রেটেড পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন অথবা ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে অ্যাসোশিয়েট মেম্বারশিপের সেকশন এ ও বি পরীক্ষা পাশ করে থাকতে হবে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বা অ্যারোনটিক্যাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়া থেকে। অথবা ইনস্টিটিউশন অব ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ার্স-এ সক্রিয়ভাবে পড়ে গ্র্যাজুয়েট মেম্বারশিপ/সমতুল, এর কোনো বিষয়ে: কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (এএএ), কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং/টেকনোলজি (এএবি), কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন (এএসি), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/টেকনোলজি (এএডি), ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (এএই), ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (এএএফ), ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এএজি), ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং/ টেকনোলজি (এএএইচ), ইলেক্ট্রনিক্স সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (এএআই), ইলেক্ট্রনিক্স (এএকে), ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (এএএল), ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (এএএম), ইলেক্ট্রনিক্স এবং/ অথবা টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (এএএন), ইলেক্ট্রনিক্স এবং/ অথবা টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (মাইক্রোওয়েভ) (এএও), ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (এএপি), ইলেক্ট্রনিক্স কমিউনিকেশন অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (এএকিউ), ইলেক্ট্রনিক্স ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যান্ড কন্ট্রোল (এএআর), ইলেক্ট্রনিক্স ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যান্ড কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং (এএএস), ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং (এএটি), ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যান্ড কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং (এএইউ), ইনফরমেশন টেকনোলজি (এএভি)।

এবি) অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (মেকানিক্যাল) (এই-এম): ১০+২ স্তরে ফিজিক্স এবং ম্যাথমেটিক্সে প্রতিটিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর সহ পাশ সঙ্গে সক্রিয়ভাবে পড়ে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে অ্যাসোশিয়েট মেম্বারশিপের সেকশন এ ও বি পরীক্ষা পাশ করে থাকতে হবে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বা অ্যারোনটিক্যাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়া থেকে, এর যে-কোনো একটিতে: অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং (এএএ), অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এএবি), এয়ারক্র্যাফ্ট মেন্টেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিং (এএসি), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এএডি), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অটোমেশন (এএই), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রোডাকশন) (এএএফ), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (রিপেয়ার অ্যান্ড মেন্টেন্যান্স) (এএজি), মেকাট্রনিক্স (এএএইচ), ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (এএজে)।

গ্রাউড ডিউটি (নন-টেকনিক্যাল) ব্রাঞ্চ সমূহ: ১) অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড লজিস্টিক্স: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে যে-কোনো শাখায় গ্র্যাজুয়েট বা সমতুল অথবা ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে অ্যাসোশিয়েট মেম্বারশিপের সেকশন এ ও বি পরীক্ষা পাশ করে থাকতে হবে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বা অ্যারোনটিক্যাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়া থেকে।

২) অ্যাকাউন্টস: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে অন্তত ৩ বছরের বিকম।

এনসিসি স্পেশ্যাল এন্ট্রি (ফ্লাইং ব্রাঞ্চ): ১ জানুয়ারি ২০১৭ বা তার পরে এনসিসি এয়ার উইং সিনিয়র ডিভিশন ‘সি’ সার্টিফিকেট। ১০+২ স্তরে ম্যাথমেটিক্স ও ফিজিক্সের প্রতিটিতে অন্তত ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করে থাকতে হবে, তারপর কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে যে-কোনো শাখায় গ্র্যাজুয়েট বা সমতুল অথবা ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে অ্যাসোশিয়েট মেম্বারশিপের সেকশন এ ও বি পরীক্ষা পাশ করে থাকতে হবে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বা অ্যারোনটিক্যাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়া থেকে।

সবক্ষেত্রেই, ৬০% নম্বরের সমতুল গ্রেডও গ্রাহ্য হবে। চূড়ান্ত বর্ষের প্রার্থীরাও আগের শেষ সেমেস্টারে ৬০% নম্বর পেয়ে পাশ করে থাকলে শর্তসাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন।

শারীরিক মাপজোক: ফ্লাইং ব্রাঞ্চের (পুরুষ ও মহিলা) ক্ষেত্রে ১৬২.৫ সেন্টিমিটার, পায়ের উচ্চতা ৯৯-১২০ সেমি, থাইয়ের দৈর্ঘ সর্বাধিক ৬৪ সেমি, বসার উচ্চতা ৮১.৫-৯৬ সেমি। গ্রাউন্ড ডিউটি (টেকনিক্যাল/ নন টেকনিক্যাল) পুরুষ প্রার্থীদের উচ্চতা ১৫৭.৫ সেন্টিমিটার, মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৫২ সেন্টিমিটার। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মতো পার্বত্য এলাকার প্রার্থীরা উচ্চতায় ৫ সেমি পর্যন্ত ছাড় পাবেন।

সবক্ষেত্রেই শারীরিক-মানসিক ভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে। উচ্চতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওজন হতে হবে, দৃষ্টিশক্তিরও কিছু শর্ত আছে, জানা যাবে নিচের ওয়েবসাইটে, তবে চশমা পরলে ফ্লাইং ব্রাঞ্চে আবেদন করা যাবে না।

পরীক্ষার ফি: ২৫০ টাকা। এনসিসি স্পেশ্যাল এন্ট্রির ক্ষেত্রে পরীক্ষার ফি দিতে হবে না। অনলাইন পরীক্ষা হবে আগামী ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি। সিলেবাস সহ বিস্তারিত জানা যাবে নিচের ওয়েবসাইটে। অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। পরীক্ষাকেন্দ্র হবে পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য এইসব জায়গায়: Kolkata, Durgapur, Jalpaigudi, Agartala, Aizawl, Behrampur (Odisha), Bhagalpur, Bhubaneswar, Bihar Sharif, Chhapra, Dhanbad, Gaya, Guwahati, Imphal, Itanagar, Jamshedpur, Jorhat, Kohima, Pathankot, Patna, Port Blair,Ranchi, Rourkela, Sambalpur, Shillong, Silchar,Tinsukia.

আবেদনের পদ্ধতি: https://careerindianairforce.cdac.in অথবা https://afcat.cdac.in লিঙ্কে গিয়ে অনলাইন আবেদন করা যাবে। বৈধ ইমেল আইডি ও ফোন নম্বর থাকতে হবে। অনলাইন আবেদন করা যাবে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত। ২৫ বছরের নিচের প্রার্থীদের অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে। ট্রেনিং চলাকালীন বিয়ে করা চলবে না। বিধবা/বিপত্নীকদের অবিবাহিত ধরা হবে না। ২৫ বছরের উপরে বিবাহিত প্রার্থীরা আবেদনের যোগ্য, কিন্তু ট্রেনিং চলাকালীন সপরিবারে থাকার কোনো সুযোগ নেই। যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য জানা যাবে উপরোক্ত ওয়েবসাইটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *