fbpx

ইন্টার্ন না “সিভিক শিক্ষক”, ক্ষোভ কর্মপ্রার্থী ও পরীক্ষার্থিমহলে

প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে শিক্ষনবিশ পদে নিয়োগের ব্যাপারে গতকালই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এখনও পর্যন্ত রাজ্যের উচ্চ-প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক  নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই, শিক্ষক পদে নিয়োগের বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়ার আগেই এ ভাবে শিক্ষনবিশ পদে নিয়োগের কথা ঘোষণা করায় যথেষ্ট ক্ষোভ ছড়িয়েছে কর্মপ্রার্থী ও পরীক্ষার্থী মহলে, বিশেষ করে শিক্ষক পদে পরীক্ষার্থীদের মহলে।

২০১৬ সাল থেকে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে প্রায় ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে। গত কয়েক মাস যাবৎ অবশ্য নবম-দশম শ্রেণি স্তরে নিয়োগ চলছে।  স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রের খবর, এ মাসের মধ্যেই উচ্চ প্রাথমিক স্তরেও নিয়োগ শুরু করার কথা। কিন্তু শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত না করে স্কুলে  ইন্টার্ন হিসাবে শিক্ষক পদে নিয়োগের বিষয়টি একেবারেই সুবিধাজনক নয় বলেই মনে করছে কর্মপ্রার্থী ও পরীক্ষার্থীদের একাংশ। গতকাল এই নতুন ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলিতে ক্ষোভ উগরে পড়েছে প্রার্থীদের মধ্যে থেকে।

একাংশের বক্তব্য, একজন পরীক্ষার্থী যদি শিক্ষক পদের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন, তাহলে তিন বছর স্নাতক স্তরে পড়াশুনা করার পর তাঁকে ১ বছরের বিএড ডিগ্রির জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি এমনিতেই শিক্ষণ পদ্ধতিতে নিজের হাতে-কলমে শিক্ষার সুযোগ পাবেন বিএড ডিগ্রির ট্রেনিংয়ের সময়। আলাদা করে ইন্টার্ন হিসাবে দু বছর স্কুলে কাজ করার কোনও প্রাসঙ্গিকতায় খুঁজে পাচ্ছেন না পরীক্ষার্থীরা। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই পদে নিয়োগকে “সিভিক শিক্ষক” বলে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। এমনকি শিক্ষক পদে দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা না করলে পরবর্তীকালে প্রতিবাদ ও আন্দোলনের বিষয়েও আলোচনা শুরু করেছেন প্রার্থিমহল।

 

SSC, SSC Recruitment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *