তবে কি ফিরছে পাশ/ফেল ?

118
0
pass-fail-picture

নিজস্ব সংবাদদাতা: পরীক্ষা তো ভালোই দিয়েছি। পাশ করবে পারব তো? আপাতত এরকম চিন্তা অন্তত ক্লাস এইট পর‌্যন্ত ছেলে- নেই। এখানেই প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষা উপদেষ্টা কমিটি।

পরীক্ষা দিয়েছো, অথচ পাশ করলে না ব্যর্থ হলে এ ব্যাপারে কোনো সন্দিহান ছিল না। ছেলে- মধ্যে থেকে পরীক্ষা ভীতি দূর করতে এবং স্কুল- সম্ভাবনা কমিয়ে ফেলার জন্যেই নেওয়া হয়েছিল  ডিটেনশন নীতি ২০০৯ সালে  টু এডুকেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী স্থির করে দেওয়া অষ্টম শ্রেণি পর‌্যন্ত শুধুমাত্র ছাত্র- নম্বরের মূল্যায়ন হবে, কিন্তু উত্তীর্ণ না অনুত্তীর্ণ সে ব্যাপারে কোনো নির্দেশিকা দিতে পারবেন স্কুল। বলা যেতে পারে, অষ্টম শ্রেণি পর‌্যন্ত ক্লাসে অনুত্তীর্ণ হিসাবে পুনরায় রেখে দেওয়া যাবে না।

এই নিয়ম চালু হয়ে যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় এরকম নিয়ম জলঘোলা হওয়া। শিক্ষামহলের একাশ, অনেক শিক্ষাবিদ, অভিভাবকরাও এই নিয়ম নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেননি। উল্টে পোয়াবারো ছাত্র- পাশ নাকি ফেল এই নিয়ে চিন্তাভাবনার জায়গা নেই, ফলত পড়াশুনার প্রতি মনোযোগ বা দায়ববদ্ধতার দিকে অনেকটাই ঘাটতি দেখা যায়। মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব পড়ে এই নীতির জন্য। প্রশ্ন উঠেছিল, অষ্টম শ্রেণি পর‌্যন্ত পাশ- না থাকলে তার দু বছর পরেই স্কুল সাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে চাপের মুখে পড়তে হতে পারে ছাত্র- এই বিষয়টি গত সপ্তাহে আলোচনা বসে ২৮ রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের প্রতিনিধি সহ সেন্ট্রাল অ্যাডবাইসরি কমিটি অব এডুকেশন বোর্ড (CABE)  ক্যাবের মতানুযায়ী, এই প্রক্রিয়া পঞ্চম শ্রেণি পর‌্যন্ত রেখে তারপর থেকে পাশ- ফিরিয়ে আনা হোক। যদিও এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেবেন না। ক্যাবে- এই মিটিং স্থির হয়, কেন্দ্রীয় সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছেআইন সংশোধনীর ব্যাপারে আর্জি করা হবে। তবে পাশ- থাকবে কিনা সেটা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সিদ্ধান্তের উপরেই ছেড়ে দেওয়া হবে। যদিও দুই আইনসভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এবং আইন সংশোধনী করে নিয়ম চালু করার জন্য অনেকটাই সময় লাগবে। আগামী ২০১৮ সালের আগে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ করা যাবে না বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।