রিজার্ভ ব্যাঙ্কে ২৪ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার

558
0
Current Affairs 1st March

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ায় ২৪ জন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল/ ইলেক্ট্রিক্যাল) নিয়োগ করা হবে বিভিন্ন আঞ্চলিক শূন্যপদে। বিজ্ঞপ্তি নম্বর: 1/JE/2018-19.

বেতনক্রম: ১৩১৫০-৩৯৯০ টাকা। সঙ্গে অন্যান্য ভাতা। শুরুর বেসিক পে প্রতি মাসে ২১৪০০ টাকা।

শূন্যপদ: জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল): ক্রমিক সংখ্যা ১: ইস্ট: শূন্যপদ ২ (ওবিসি ১, অসংরক্ষিত ১)। ক্রমিক সংখ্যা ২: ওয়েস্ট: ৭ (অসংরক্ষিত ৪, তপশিলি উপজাতি ১, ওবিসি ২)। ক্রমিক সংখ্যা ৩: নর্থ: ৩ (অসংরক্ষিত ২, ওবিসি ১)। ক্রমিক সংখ্যা ৪: সাউথ: ১ (অসংরক্ষিত)। ক্রমিক সংখ্যা ৫: সেন্ট্রাল: ২ (অসংরক্ষিত ১, ওবিসি ১)।

জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (ইলেক্ট্রিক্যাল): ক্রমিক সংখ্যা ১: ইস্ট: ১ (অসংরক্ষিত)। ক্রমিক সংখ্যা ২: ওয়েস্ট: ৪ (অসংরক্ষিত ২, তপশিলি উপজাতি ১, ওবিসি ১)। ক্রমিক সংখ্যা ৩: নর্থ: ২ (অসংরক্ষিত ১, ওবিসি ১)। ক্রমিক সংখ্যা ৪: সাউথ: ১ (অসংরক্ষিত)। ক্রমিক সংখ্যা ৫: সেন্ট্রাল: ১ (অসংরক্ষিত)।

জোন রিজিওনাল জুরিসডিকশন: ইস্ট জোন: পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অসম, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, সিকিম, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।

ওয়েস্ট জোন: মহারাষ্ট্র (বিদর্ভ রিজিয়ন ছাড়া), গোয়া, দাদরা-নাগার হাভেলি, গুজরাট, দমন ও দিউ।

নর্থ জোন: দিল্লি, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, রাজস্থান, জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তর প্রদেশ,ƒউত্তরাখণ্ড, চণ্ডীগড়।

সাউথ জোন: কর্নাটক, তামিলনাড়ু, পণ্ডীচেরী, কেরালা, লাক্ষাদ্বীপ।

সেন্ট্রাল জোন: অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, বিদর্ভ রিজিয়ন, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়।

বয়সসীমা: ১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখের হিসেবে বয়স হতে হবে ২০-৩০ বছরের মধ্যে (জন্মতারিখ ২ জানুয়ারি ১৯৮৯ থেকে ১ জানুয়ারি ১৯৯৯-এর মধ্যে)। তপশিলি জাতি/ উপজাতি, ওবিসি, শারীরিক প্রতিবন্ধী, প্রাক্তন সেনাকর্মী, তাছাড়া বিধবা, বিবাহবিচ্ছিন্না ও আইনত পতিসঙ্গ বিচ্ছিন্নারা (যাঁরা পুনরায় বিয়ে করেননি) বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন।

যোগ্যতা: জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল): কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা ইনস্টিটিউট থেকে ন্যূনতম ৬৫ শতাংশ (তপশিলি জাতি/ উপজাতি ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ) নম্বর নিয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা (অন্তত তিন বছরের সময়সীমার) অথবা ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর (তপশিলি জাতি/ উপজাতি ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ) নিয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি। ডিপ্লোমাধারীদের ক্ষেত্রে দু বছর ও ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (ইলেক্ট্রিক্যাল): কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা বোর্ড থেকে ন্যূনতম ৬৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে (তপশিলি জাতি/ উপজাতি ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ নম্বর) ইলেক্ট্রিক্যাল/ ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তিন বছরের ডিপ্লোমা অথবা কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ (তপশিলি জাতি/ উপজাতি ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ নম্বর) নিয়ে ইলেক্ট্রিক্যাল/ ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি। ডিপ্লোমাধারীদের ক্ষেত্রে দু বছর ও ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ হতে হবে ১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখের হিসেবে।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি: অনলাইন পরীক্ষা ও ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিশিয়েন্সি টেস্টের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। অনলাইন পরীক্ষায় থাকবে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ (৫০টি প্রশ্ন, ৫০ নম্বর), ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন পেপার ওয়ান (৪০টি প্রশ্ন, ১০০ নম্বর), ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন পেপার টু (৪০টি প্রশ্ন, ১০০ নম্বর), জেনারেল অ্যাওয়্যারনেস (৫০টি প্রশ্ন, ৫০ নম্বর)। মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা, সময় ১৫০ মিনিট। অনলাইন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিশিয়েন্সি টেস্ট। যে জোনের জন্য আবেদন করবেন সেখানকার স্থানীয় ভাষা/ সরকারি ভাষার উপর ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিশিয়েন্সি টেস্ট হবে।

পরীক্ষকেন্দ্র: ১) আগরতলা ২) আহমেদাবাদ-গান্ধীনগর ৩) বেঙ্গালুরু ৪) ভোপাল ৫) ভুবনেশ্বর ৬) চণ্ডীগড় মোহালি ৭) চেন্নাই ৮) দেরাদুন ৯) গ্যাংটক-বারডাং ১০) গুয়াহাটি ১১) হায়দরাবাদ ১২) জয়পুর ১৩) জম্মু ১৪) কানপুর ১৫) কোচি ১৬) কলকাতা ১৭) লক্ষ্ণৌ ১৮) মুম্বই-নভি মুম্বই ১৯) নাগপুর ২০) নতুন দিল্লি (এনসিআর) ২১) পানাজি ২২) পাটনা ২৩) পুণে ২৪) রায়পুর ২৫) রাঁচি ২৬) শিলং ২৭) শিমলা ২৮) শ্রীনগর ২৯) তিরুবনন্তপুরম।

আবেদনের ফি: ৪৫০ টাকা (আবেদনের ফি+ইন্টিমেশন চার্জ)। তপশিলি জাতি/ উপজাতি, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও প্রাক্তন সেনাকর্মীদের ইন্টিমেশন চার্জ বাবদ ৫০ টাকা দিতে হবে। ডেবিট কার্ড (রূপে/ ভিসা/ মাস্টার কার্ড/ ম্যাস্ট্রো), ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, আইএমপিএস, ক্যাশ কার্ড/ মোবাইল ওয়ালেটের মাধ্যমে ফি দেওয়া যাবে। ট্র্যানজ্যাকশন সম্পূর্ণ হলে একটি ই-রিসিট পাওয়া যাবে, ই-রিসিটের প্রিন্ট আউট নিয়ে রাখতে হবে।

আবেদনের পদ্ধতি: www.rbi.org.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হবে। বৈধ ইমেল আইডি ও মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। অনলাইন আবেদন করার আগে সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট মাপের রঙিন ছবি ও স্বাক্ষর স্ক্যান করে রাখতে হবে। ছবির ডাইমেনশন ২০০×২৩০ পিক্সেল (বাঞ্ছনীয়ত), মাপ হতে হবে ২০-৫০ কেবির মধ্যে। সাদা কাগজে কালো কালির পেন দিয়ে স্বাক্ষর করতে হবে। ডাইমেনশন ১৪০×৬০ পিক্সেল (বাঞ্ছনীয়ত), মাপ হতে হবে ১০-২০ কেবির মধ্যে। স্ক্যানার রেজলিউশন ২০০ ডিপিআই। অনলাইন আবেদন করার সময় ছবি ও স্বাক্ষর নির্দিষ্ট স্থানে আপলোড করতে হবে। অনলাইন আবেদন করা যাবে ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত। অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য উপরোক্ত ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।