fbpx

জয়েন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ২০১৮ বিস্তারিত তথ্য

শুরু হল WBJEE, 2018-র আবেদন প্রক্রিয়া। এই বছর ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকার জন্য আগামী ২২ এপ্রিল পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা হবে দুটি পেপার-এ। পেপার-১ ম্যাথমেটিক্স এবং পেপার-২ ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রি। পেপার-১ হবে সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা এবং পেপার-২ হবে বেলা ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত।

বয়সসীমা: ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। ৩১/১২/২০১৮ তারিখ অনুযায়ী বয়সের নিম্নসীমা ১৭। প্রার্থীকে ৩১/১২/২০০১ তারিখের আগে জন্ম হতে হবে। বয়সের কোনো ঊর্ধ্বসীমা নেই।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ক্ষেত্রে ৩১/১২/২০১৮ তারিখ অনুযায়ী বয়সের নিম্নসীমা ১৭ এবং ৩১/১২/২০১৮ তারিখ অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ২৫।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ক্ষেত্রে

স্বীকৃত বোর্ড থেকে ফিজিক্স, ম্যাথামেটিক্স এবং কেমিস্ট্রি/বায়োটেকনোলজি/বায়োলজি/কম্পিউটার সায়েন্স/ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন (প্রতি বিষয় থিওরি এবং প্র্যাক্টিকাল পাশ নম্বর সহ) ১০+২ উত্তীর্ণ, প্রতি বিষয় ৪৫% নম্বর (সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে ৪০% নম্বর) থাকতে হবে। ১০+২-তে ইংলিশে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।

মেডিকেল কোর্সের ক্ষেত্রে মেডিকেল কোর্সের জন্য: ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এবং ম্যাথামেটিক্স / বায়োটেকনোলোজি /বায়োলজি /কম্পিউটার সায়েন্স/কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে ১০ + ২ উত্তীর্ণ।  প্রতি বিষয় ৪৫% নম্বর (সংরক্ষিতদের ক্ষেত্রে ৪০%), ইংলিশে ৩০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে

জুট টেকনোলজির জন্য: স্বীকৃত বোর্ড থেকে ১০+২ তে  ফিজিক্স, ম্যাথামেটিক্স এবং কেমিস্ট্রি/ বায়োটেকনোলোজি/বায়োলজি নিয়ে ৬০ শতাংশ নম্বর (সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে ৫০% নম্বর) এবং ইংলিশে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ মার্ক্স থাকতে হবে।

জুট টেকনোলজির ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে: স্বীকৃত বোর্ড থেকে ফিজিক্স, ম্যাথামেটিক্স এবং কেমিস্ট্রি (প্রতি বিষয় থিওরি এবং প্রাকটিকাল পাস নম্বর সহ) ১০+২ উত্তীর্ণ, প্রতি বিষয় ৬০% নম্বর (সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে ৫৫% নম্বর) থাকতে হবে। ১০+২ তে ইংলিশে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে-

ফার্মাসি সহ সমস্ত কোর্স (আর্কিটেকচার ছাড়া)– স্বীকৃত বোর্ড থেকে ১০+২-তে ফিজিক্স, ম্যাথামেটিক্স এবং কেমিস্ট্রি নিয়ে (প্রতি বিষয় থিওরি এবং প্রাক্টিকাল পাস নম্বর সহ) ৬০ শতাংশ নম্বর (সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে ৪৫ % নম্বর) এবং ইংলিশে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ মার্ক্স থাকতে হবে।

আর্কিটেকচার কোর্সের ক্ষেত্রে: উপরের যোগ্যতা ছাড়া প্রার্থীকে ন্যাশনাল অ্যাপটিটিউড টেস্ট বা জেইইই মেইন পেপার-২ উত্তীর্ণ হয়ে থাকতে হবে।

ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অব অ্যানিমাল অ্যান্ড ফিশারি সায়েন্স বিটেক কোর্স– স্বীকৃত বোর্ড থেকে ফিজিক্স, ম্যাথামেটিক্স এবং কেমিস্ট্রি এবং ইংলিশ (প্রতি বিষয় থিওরি এবং প্রাকটিকাল পাস নম্বর সহ) ১০+২ উত্তীর্ণ, প্রতি বিষয় ৫০% নম্বর (সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে ৪০% নম্বর) থাকতে হবে।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য– স্বীকৃত বোর্ড থেকে ফিজিক্স, ম্যাথামেটিক্স এবং কেমিস্ট্রি এবং ইংলিশ (প্রতি বিষয় থিওরি এবং প্রাকটিকাল পাস নম্বর সহ) ১০+২ উত্তীর্ণ, প্রতি বিষয় ৫০% নম্বর (সংরক্ষিত শ্রেণির ক্ষেত্রে ৪০% নম্বর) থাকতে হবে।

আর্কিটেকচারে ৫ বছরের কোর্সের জন্য– কাউন্সিল অব আর্কিটেকচার নিয়ম অনুযায়ী:  ১) ৫০% নম্বর সহ ১০+২ পাস, ২) ন্যাশনাল অ্যাপটিউড  টেস্ট বা জেইইই মেইন পেপার-২ উত্তীর্ণ হয়ে থাকতে হবে। এই যোগ্যতা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া সমস্ত ৫ বছরের আর্কিটেকচার কোর্সের জন্য যোগ্য।

বাসস্থানগত যোগ্যতা: সব কোর্সে কিংবা সব সংরক্ষিত আসনেই ভর্তির ক্ষেত্রে কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ১০ বছর ধরে (৩১/১২/২০১৭ পর্যন্ত সময়ে) অবিচ্ছিন্নভাবে বসবাসকারী প্রার্থীরা (বা অভিভাবকরা স্থায়ী ঠিকানাযুক্ত বসবাসকারী হলে) আবেদন করতে পারবেন। ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসি, আর্কিটেকচার কোর্সের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে এবং সেলফ-ফিনান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলিতে সাধারণ প্রার্থীদের ছাড়া বাকি প্রার্থীদের এবং অন্যান্য সব কলেজ ও মেডিকেল কোর্সের ক্ষেত্রে ও সব প্রতিষ্ঠানেই সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে সমস্ত প্রার্থীদের ডোমিসাইল সার্টিফিকেট লাগবে, কারণ সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন কেবল এরাজ্যের প্রার্থীরা। ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের বয়ান পাবেন নিচের ওয়েবসাইটে। যেক্ষেত্রে যেমন প্রয়োজন সেইমতো বয়ান ডাউনলোড করে প্রিন্ট-আউট নেবেন A-4 মাপের কাগজে। তা পূরণ করে নির্ধারিত কর্তপক্ষকে দিয়ে সই করাতে হবে। কোন বিভাগে কোন কর্তৃপক্ষকে দিয়ে সই করাবেন তার নির্দেশ পাবেন ওয়েবসাইটেই।

আবেদন পদ্ধতি: ফর্ম পূরণ করতে হবে অনলাইনে। www.wbjeeb.nic.in  ওয়েবসাইটে APPLICATION WBJEEM -2018- লেখা জায়গায় ক্লিক করতে হবে। তাহলেই ফর্ম পাবেন। সেই ফর্ম ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। সমস্ত নির্দেশ দেওয়া আছে নমুনা সহ। দরখাস্তে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্যাদি দেওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাবেন, নিজের একটি পাসওয়ার্ডও করে নিতে হবে (ভবিষ্যতে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে তা উদ্ধারের সঙ্কেতসূত্র) এবং এগুলি যত্ন করে টুকে রাখবেন ভবিষ্যতের এ-বিষয়ে কাজকর্মের জন্য। পরীক্ষার ফি ও আবেদনের পদ্ধতি বুঝে নিয়ে আবেদন করতে হবে। সবশেষে কনফার্মেশন পেজ দেখা গেলে বুঝতে হবে রেজিস্ট্রেশন সফল হয়েছে। ওই পাতার প্রিন্ট- রেখে দেবেন ভবিষ্যতের জন্য। দরখাস্তে আপলোড করার জন্য আগেই স্ক্যান করে রাখতে হবে নিজের পাসপোর্ট মাপের রঙিন ফটো (3 – 100 কেবি) সই (3 – 30 কেবি) হবে।

আবেদন ফি : WBJEE-এর জন্য আবেদন  ফি ৫০০ টাকা এবং ব্যাঙ্কিং চার্জ।

পরীক্ষা পদ্ধতি, নম্বর বিভাজন পদ্ধতি সহ অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে www.wbjeeb.nic.in   ওয়েবসাইটে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *